কলকাতা: ২৬ নভেম্বরে ধর্মঘট ভাঙার চেষ্টা করলে তা প্রতিরোধ করা হবে‌ ‌। হুমকির সুরে এ কথা জানিয়েছেন সিটু আইএনটিইউসি সহ কেন্দ্রীয় সংগঠন গুলির নেতৃত্ব। ট্রেড ইউনিয়ন এবং কৃষক সংগঠনগুলি ২৬ নভেম্বর দেশজুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।

বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের আশা গোটা দেশে প্রায় ২০ কোটি মানুষ এতে শামিল হবে। এখন সেই ধর্মঘট প্রশাসন ভাঙতে চাইলে প্রতিরোধ হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক বলে মনে করছেন বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃত্ব।

মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে সিটু রাজ্য সম্পাদক অনাদি সাহু জানিয়েছেন, শ্রমিক-কৃষকেরা শখ করে এই ধর্মঘট ডাকছে না। মোদী সরকার তাদের জীবন দুর্বিষহ করে দিয়েছে বলেই এরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। করোনা মহামারীতে মানুষের গড় আয় কমে গিয়েছে অথচ মোদী সরকার উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ ।

উল্টো দিকে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেচে দিতে উদ্যোগী হয়েছে এই সরকার। এই সরকার এখন কর্পোরেট সংস্থা হয়ে কাজ করছে। এদিকে আবার রাজ্য সরকার ধর্মঘটের ইস্যুকে সমর্থন করলেও ধর্মঘটকে সমর্থন করছে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনাদি সাহু। সেক্ষেত্রে তার বক্তব্য, ধর্মঘট ভাঙার কোন কৌশল নিলে তা সফল হবে না। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ধর্মঘটীরা এর প্রতিবাদ করবে।

আই এন টি ইউ সি নেতা কামরুজ্জামান আত্মবিশ্বাসী, এবারে কোনোভাবেই ধর্মঘটীদের বিভ্রান্ত করতে পারা যাবে না। কারণ সাধারন শ্রমজীবী মানুষ বুঝে গিয়েছে সর্বনাশা মোদী সরকারকে। বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য ট্রেড ইউনিয়ন নেতারাও ধর্মঘটের ব্যাপারে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের পাশাপাশি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।