ঢাকা: রমজান চলছে। আসছে ঈদ। মুসলিম জনসংখ্যাবহুল বাংলাদেশে প্রবল করোনা সংক্রমণের কারণে সরকার উৎসব পালনে কড়া সিদ্ধান্ত নিল। শেখ হাসিনার সরকারের নির্দেশ, ঘরে বসেই ঈদ পালন হোক।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসেব, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনায় মৃত ২৬৯ জন। সংক্রামিত রোগী ১৭ হাজার পার করেছে। এদিকে আরও মৃত্যুর আশঙ্কা করছে খোদ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বিশেষজ্ঞরা। রাজধানী শহর ঢাকায় ৭ হাজারের বেশি করোনা আক্রান্ত। মোট মৃত্যুর ৮১ শতাংশই ঢাকা বিভাগের বলে জানা গিয়েছে।

এই অবস্থায় বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে সরকার সাধারণ ছুটি ৩০শে মে পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া ঈদের আগে সারাদেশে যাত্রীবাহী যানবাহণ চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

বিবিসি জানাচ্ছে, দফায় দফায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়লেও, পোশাক কারখানা, অনেক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান চালু করায় সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। লকডাউন ভেঙে পড়ায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে কোন লাভ হচ্ছে কি না-এই প্রশ্ন অনেকে তুলেছেন।

শেখ হাসিনার সরকার বলছে, পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ঈদের সময় রাস্তায় বের হওয়া যাবে না। ইতিমধ্যে ধর্ম মন্ত্রক বিশেষ নির্দেশ দিয়ে রমজানের নমাজ ঘরেই পালন করতে বলে। আরও বলা হয়, একসঙ্গে ১২ জনের বেশি কোনও মসজিদে কেউ নমাজ পাঠ করতে পারবে না। নিয়ম না মানলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিবছর ঈদ উপলক্ষে ঢাকা থেকে বাইরে শহর, মফস্বল, গ্রামে বাদুড়ঝোলার মতো করে সবাই বাড়ি ফেরেন। করোনাভাইরাস ছড়ানোর কারণে, এবার মনে হয় সেই ছবি দেখা যাবে না বাংলাদেশে।

এদিকে করোনা সংক্রমণের প্রথম দু মাসের হিসেব বলছে, এই সময়ের মধ্যে বিশ্বে সর্বাধিক সংক্রমণ হয়েছে বাংলাদেশেই। হু আগেই জানিয়েছিল, ভয়াবহ করোনা সংক্রমণ ঝুঁকির মধ্যেই পড়বে বাংলাদেশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।