বেজিংঃ   পাখির মতো দেখতে একেবারে নয়া প্রজাতির ডায়নোসরের সন্ধান পেল চিন।  চিনের গবেষকরা নয়া এই প্রজাতির সন্ধান পেয়েছে।  আর যা কিনা একটা যুগান্তকারী আবিষ্কার বলে মনে করা হচ্ছে।  আবিষ্কার হওয়া ডায়নোসরগুলি আয়তনে আট মিটার এবং ওজন প্রায় তিন টন।  বিকট আকৃতির এই ডায়নোসর প্রায় ন’কোটি বছর আগে পৃথিবীতে বসবাস করত।  গবেষকরা যার নাম দিয়েছে বেইবেইলং সিনেসিস অর্থাৎ চিনের ছোট ড্রাগন।

সম্প্রতি ছোট ড্রাগন এই ছোট ড্রাগন নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে নেচার কমিউনিকেশন জার্নালে।  সেই তথ্য অনুযায়ী, এই ডায়নোসরের ডিমের আকৃতিও ছিল বৃহৎ।  গাছের উপর বিরাট বাসা তৈরি করে সেখানেই বসবাস করত তারা।  ডানা থাকায় ওড়ার ক্ষমতাও ছিল।  পাশাপাশি, ঠোঁটও অনেকটা পাখির মতোই দেখতে।

চিনের ভূবিদ্যাসংক্রান্ত আকাদেমির জীবাশ্মবিদ্যার গবেষক লু ঝুনচাংয়ের দাবি, ১৯৯০ সালে চিনের  হেনান প্রদেশে বিরাট আকারের একাধিক ডিম উদ্ধার হয়েছিল। পরে সেগুলি দেশের বাইরে চলে যাওয়ায় গবেষণার সুযোগ ছিল না। ২০ বছর পর সেগুলি দেশে ফিরেছে। আমাদের গবেষণার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ডিমগুলি ৪৫ সেন্টিমিটার লম্বা এবং ওজন প্রায় পাঁচ কিলোগ্রাম। আমার মতে, এটাই এখনও পর্যন্ত আবিষ্কার হওয়া সর্ববৃহৎ ডায়নোসরের ডিম। হেনান প্রদেশে যে ডিমগুলি আবিষ্কার হয়েছিল, সেগুলি সম্ভবত কোনও একটি বাসায় ছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.