নয়াদিল্লি: করোনার সেকেন্ড ওয়েভ রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে দেশজুড়ে। রাজ্যে-রাজ্যে সংক্রমণের বিদ্যুৎ গতি। অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি করোনার সংক্রমণ মারাত্মক আকার নিয়েছে দিল্লিতেও। একদিনে রাজধানীতে নতুন করে প্রায় ২৪ হাজার জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দিল্লির স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ভেঙে পড়ার মুখে। খোদ মুখ্যমন্ত্র অরবিন্দ কেজরিওয়াল এব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দিল্লিতে ICU বেড, অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থার ভাঁড়ার ক্রমেই কমে চলেছে বলে জানিয়েছেন কেজরিওয়াল।

করোনার সেকেন্ড ওয়েভের মোকাবিলায় কার্যত দিশেহারা দশা দিল্লির সরকারের। রাজধানীর সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে করোনা রোগীদের উপচে পড়া ভিড়। পরিস্থিতি নাগালের বাইরে যেতে বসেছে। একথা স্বীকার করে নিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য দিল্লির সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে বর্তমানে হাতেগোনা ICU বেড রয়েছে। একইভাবে মুমুর্ষু রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা করাও কঠিন হয়ে পড়ছে।

অক্সিজেন সিলিন্ডারের আকাল দিল্লি জুড়ে। এই পরিস্থিতিতে ঘোর উদ্বেগে দিল্লির সরকার। মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, ‘‘দিল্লিতে সীমিত সংখ্যক ICU বেড রয়েছে রয়েছে। মেডিকেল অক্সিজেন এবং ICU বেডের সংখ্যা দ্রুত কমছে। আমরা ICU বেডের সংখ্যা বাড়াতে পদক্ষেপ করছি।’’ দিল্লির করেনাা পরিস্থিতি ‘‘গুরুতর’’ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন কেজরিওয়াল।

দেশজুড়ে হু হু করে ছড়াচ্ছে করোনার সংক্রমণ। শনিবার দেশে সর্বোচ্চ সংক্রমণের রেকর্ড! একদিনে করোনা আক্রান্ত ২ লক্ষ ৩৪ হাজারেরও বেশি। দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ২৬ হাজার ৬০৯ জন। দেশে সুনামির মত আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। লাগাতার বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম রিপোর্ট অনুযায়ী আক্রান্তের নিরিখে ভারত আবার নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাস থাবা বসিয়েছে ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬৯২ জনের শরীরে। এখনও পর্যন্ত দেশে করোনার বলি ১ লক্ষ ৭৫ হাজার ৬৫০ জন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ লক্ষ ২৩ হাজার ৩৫৪ জন। এইমুহূর্তে দেশে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭৪০ জন। এখনও পর্যন্ত কোভিড টিকা পেয়েছেন দেশের ১১ কোটি ৯৯ লক্ষ ৩৭ হাজার ৬৪১ জনকে। তবে সংক্রমণ তাতেও রোখা যাচ্ছে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.