স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: সুসংহত শিশু বিকাশ প্রকল্পে আই.সি.ডি.এস কর্মী নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দাবীতে ফের আন্দোলন শুরু করলেন বাঁকুড়ার সারেঙ্গা ব্লক এলাকার চাকরী প্রার্থীরা। গত ৪ঠা মার্চ বিডিও অফিসের করিডোরে অবস্থান বিক্ষোভের পর সোমবার একই জায়গায় ‘এক ঘন্টার প্রতিকী অনশন’ শুরু করলেন তারা।

”আমরা নারী, আমরা পারি, আমরা লড়ি, আমরা গড়ি, আমাদের হাতেই অঙ্গনওয়াড়ি” ছাড়াও ‘অনশন মানে বুকের ভিতর, জেগে ওঠা আগুন, অনশনে তাই জেগেছি আমরা, আপনারাও এবার জাগুন” লেখা পোষ্টার, প্ল্যাকার্ড সহ অনশনে বসেছেন চাকরীপ্রার্থীরা।

আন্দোলনরত চাকরী প্রার্থীদের দাবি, বিগত ২০০৯ সালে এই চাকরীর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তারা আবেদন করেন। ২০১১ সালে লিখিত পরীক্ষা হয়। ঠিক তার পরের বছর ২০১২ সালে মৌখিক পরীক্ষার জন্য চিঠি পাঠানো হলেও কোন অজ্ঞাত কারণে তা বন্ধ রাখা হয়।

আরও পড়ুন : হলে পরীক্ষা দিচ্ছে কনে, বিয়েবাড়িতে অপেক্ষায় বরযাত্রী

পরে ২০১৫ সালে মৌখিক পরীক্ষা হয়। কিন্তু তার পর চার বছর পেরিয়ে গেলেও কোন ফল প্রকাশ করা হয়নি। কিন্তু বর্তমানে নতুন করে সারেঙ্গা ব্লক এলাকায় ঐ প্রকল্পে আই.সি.ডি.এস কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় পুরাণো পরীক্ষার ফলপ্রকাশ না করে কি করে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয় তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীদের পক্ষে এদিন সরমা ত্রিপাঠী বলেন, ২০১১ সালে লিখিত পরীক্ষার পর সফল পরীক্ষার্থীদের ২০১৫ সালে মৌখিক পরীক্ষা হয়। তার পর দীর্ঘদিন কেটে গেলেও ঐ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে বার বার সারেঙ্গা বিডিও-র কাছে এলেও তিনি কোন আশাব্যাঞ্জক কথা শোনাননি। উল্টে তিনি পরীক্ষার্থীদের ‘আইনী পথে’ যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে তিনি দাবী করেন।

এবিষয়ে জানতে সারেঙ্গার বিডিও সংলাপ ব্যানার্জ্জীকে টেলিফোন করা হলে তিনি বলেন, এই বিষয়ে আমার করার কিছুই নেই। পুরো বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্ত্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ‘আইনী লড়াই’য়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ ভুল খবর’। এই ধরণের পরামর্শ তিনি কোন দিন আন্দোলনকারী চাকরী প্রার্থীদের দেননি বলে দাবী করেন।