মুম্বই: ২০২১ দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় যে কর, তা মকুবের জন্য ১৮মে অবধি বিসিসিআই’কে সময় দিয়েছিল আইসিসি। সময় পেরিয়ে গেলেও কর মকুব তো হয়ইনি বরং কর মকুবের জন্য আইসিসি’কে ৩০জুন পর্যন্ত মেয়াদকাল বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কর মকুব নিয়ে এমন অবস্থানের জন্য বিসিসিআই’কে প্রচ্ছন্ন হুমকি ছুঁড়ে ই-মেল করল বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। যেখানে স্পষ্টভাবে আগামী বছর দেশের মাটি থেকে বিশ্বকাপ অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে তাঁরা।

এমনটা বাস্তবে হলে সেটা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং তাঁর টিমের জন্য যে চরম ধাক্কা, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু বিশ্বকাপের জন্য প্রয়োজনীয় কর মকুব করতে কেন এত ঢিলেমি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলে ১৮মে’র মধ্যে কর মকুব করে দেওয়ার ডেডলাইন থাকলেও তাতে ব্যর্থ বোর্ড। ডেডলাইন বাড়িয়ে কর মকুবের মেয়াদকাল আরও দেড়মাস বাড়ানোর আর্জি প্রসঙ্গে বিসিসিআই লকডাউনের দোহাই দিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের গভর্নিং বডির কাছে।

কিন্তু আইসিসি জেনারেল কাউন্সিলের তরফে জোনাথন হল জানিয়েছেন, ‘বিসিসিআই’য়ের কাছে কর মকুব করার জন্য প্রচুর সময় ছিল। টুর্নামেন্টের ১৮ মাস আগে তা নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ মধ্যে বিসিসিআই’য়ের কর মিটিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে আইসিসি বিজনেস কর্পোরেশন কিছুতেই বিসিসিআই’য়ের মেয়াদ বৃদ্ধির আর্জি মেনে নিতে রাজি হচ্ছে না। যা ৩০জুন, ২০২০ অর্থাৎ লকডাউন উঠে যাওয়ারও এক মাস পর।’

জোনাথন আর বলেন, ‘বিসিসিআই’য়ের এমন অনিবার্য পরিস্থিতির দোহাই পর্যালোচনা করে দেখা হবে। এবং তাতে যদি মনে হয়ে তাহলে আইবিসি ১৮ মে পরবর্তী যে কোনও সময় বিসিসিআই’কে ২০২১ বিশ্বকাপের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে পারে।’

এটাই প্রথমবার নয়। এর আগেও কর মকুব নিয়ে আইসিসি’র সঙ্গে সংঘাত বেঁধেছিল বিসিসিআই’য়ের। ২০১৬ ভারতের মাটিতে টি২০ বিশ্বকাপের ক্ষেত্রেও কর মকুবে ব্যর্থ হয়েছিল বিসিসিআই। যার জেরে ২০-৩০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছিল আইসিসি’র। এক্ষেত্রে অঙ্কের পরিমান গিয়ে দাঁড়াতে পারে ১০০মিলিয়ন ডলারে। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরিবর্ত হিসেবে আগামী বছর অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতের মাটিতে টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ভারতের মাটিতে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।