নয়াদিল্লি: করোনা পরবর্তী সময় বল পালিশে লালা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা বোলারদের জন্য একটা চরম ধাক্কা। তাই এবার থেকে বোলিং সহায়ক পিচে টেস্ট ক্রিকেট আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করুক বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। এমনটাই মত জাতীয় দলের প্রাক্তন অল-রাউন্ডার ইরফান পাঠানের।

সম্প্রতি অনিল কুম্বলে নেতৃত্বাধীন আইসিসি ক্রিকেট কমিটি করোনা পরবর্তী সময় বল পালিশে লালা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তাব এনেছে। আইসিসি’র এক্সিকিউটিভ কমিটির সভায় এখন বিষয়টি অনুমোদনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। ক্রিকেটে বল পালিশে লালা ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা হয়তো আগামী দু’বছর কিংবা তার বেশি সময়ের জন্য জারি থাকবে। তার ফলে এই সময়কালে টেস্ট ক্রিকেট হয়ে উঠবে ব্যাটসম্যানদের স্বর্গরাজ্য। তাই বোলারদের কথা ভেবে আসন্ন দিনগুলোতে টেস্ট ক্রিকেটে তৈরি হোক বোলিং সহায়ক পিচ। এমনটাই মত পোষণ করলেন টেস্ট ক্রিকেটে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে হ্যাটট্রিকধারী প্রাক্তন ফাস্ট বোলিং অল-রাউন্ডার।

পিটিআই’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি পাঠান জানালেন, ‘বোলাররা যদি বল সুইং না করতে পারে তাহলে ব্যাটসম্যানদের পক্ষে কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে। কারণ শুধুমাত্র গতিকে ব্যাটসম্যানরা ভয় করেন না। সুইং এবং গতির মিশ্রনে যেটা তৈরি হয় সেটা ব্যাটসম্যানদের বিব্রত করে।’ লালা বন্ধে বোলারদের সমস্যায় পড়া প্রসঙ্গে পাঠান আরও বলেন, ‘তুমি পেসার হও কিংবা স্পিনার, লাল বলের ক্রিকেটে বোলারদের বলের পালিশ অত্যন্ত জরুরি। তাই বল পালিশের প্রধান অস্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ হলে ব্যাটসম্যানদের পক্ষে তা আরও অ্যাডভান্টেজ। ক্রিকেটটা অনেক বেশি ব্যাটসম্যান সহায়ক হয়ে যাবে।’

তাই টেস্ট ক্রিকেটে বোলিং সহায়ক উইকেট চেয়ে পাঠান বলেছেন, বেশি ঘাস প্রয়োজন নেই তবে পিচে আর্দ্রতা খুব জরুরি। এপ্রসঙ্গে বছর পঁয়ত্রিশের প্রাক্তন অল-রাউন্ডার বলেন, ‘আপনি যদি অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডে পিচের চরিত্র দেখেন তবে দেখবেন ঘাসের চেয়েও পিচের আর্দ্রতা ওখানে বোলারদের বেশি সাহায্য করে।’ অর্থাৎ পাঠানের কথায় এমন কিছু করতে হবে যেটা বোলিং সহায়ক হয়। বলের মাধ্যমে না হলেও পিচের চরিত্রের মধ্যে দিয়েও সেটা করা যেতে পারে। পাঠানের কথায়, ‘পিচের চরিত্র যদি বোলারদের সহায়ক হয় তবে রিভার্স সুইং নয়, প্রথাগত সুইংয়ের দিকেই ঝুঁকবে বোলাররা।’

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব