লন্ডন: ইংল্যান্ডকে ঘরের মাঠে ৩-১ ব্যবধানে দুরমুশ করে শনিবার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ভারতীয় দল। পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে থেকেই আগামী জুনে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলবে কোহলিব্রিগেড। ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড ফাইনাল ঘিরে এখন থেকেই ক্রিকেটপ্রেমীদের একটু একটু করে পারদ চড়তে শুরু করেছে। কিন্তু টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে কোথায়?

জানা গিয়েছে, আইকনিক লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডকে অভিষেক টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে প্রাথমিকভাবে ভেবে রাখা হলেও লর্ডস থেকে সরতে পারে সেই ম্যাচ। অতিমারী করোনা ভাইরাসের কারণে লর্ড থেকে সরে ইংল্যান্ডেরই অন্য কোনও স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে পারে আগামী ১৮ জুনের ফাইনাল। দেশের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী সাম্প্রতিক সময়ে অতিমারী ফের মাথাচাড়া দিয়ে ওঠায় লর্ডসে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল আয়োজন করা নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা।

আইসিসি’র একটি সূত্র টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দাবি করে জানিয়েছে, ‘ফাইনালের ভেন্যু চুড়ান্ত করে শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। আইসিসি যে ভেন্যুকে ঘিরে পরিকল্পনা করছে সেটা লর্ডস নয়। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড এবং তাদের স্বাস্থ্য আধিকারিকিদের উপদেশ মেনেই আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চুরান্ত ভেন্যু নির্ধারণ করবে। ইংল্যান্ডের মাটিতে গত গ্রীষ্মে টেস্ট সিরিজ আয়োজনে যে ধরনের জৈব নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছিল, এক্ষেত্রেও তেমনই জৈব বলয় থাকবে।’

এখন প্রশ্ন হচ্ছে লর্ডস ব্যতীত অন্য কোন স্টেডিয়ামকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইনালের জন্য বেছে নেবে আইসিসি। তবে যেখানেই কোহলিব্রিগেড বনাম উইলিয়ামসন ব্রিগেডের দ্বৈরথ অনুষ্ঠিত হোক না কেন, ইসিবি’র পরামর্শ মেনেই যে আইসিসি গোটা বিষয়টি চূড়ান্ত করবে সেটা নিশ্চিত। একইসঙ্গে সাফল্যের সঙ্গে যেভাবে পাকিস্তান এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজ করোনা পরবর্তী সময় আয়োজন করেছিল ইসিবি, এক্ষেত্রেও একই রসায়ন অবলম্বন করা হবে।

উল্লেখ্য, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার পথে সবচেয়ে সফল হিসেবে ধরা দিয়েছে কোহলিব্রিগেড। ২০১৯ থেকে এযাবৎ ১৭টি টেস্টের মধ্যে ১২টি’তে জয় এবং একটি ম্যাচে ড্র করেছে ভারত। হেরেছে মাত্র ৪টি ম্যাচে। করোনার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জয়ের শতকরা হিসেবে কষে ফাইনালিস্ট নির্ণয় করেছে আইসিসি। ৭২.২২ শতাংশ জয় নিয়ে সেখানেও শীর্ষে কোহলি অ্যান্ড কোম্পানি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।