দুবাই: এমনিতেই ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে লাগামছাড়া সংক্রমণ। তার উপর ভারতে সর্বপ্রথম আবিষ্কার হওয়া করোনার নয়া প্রজাতিতে সেদেশে আক্রান্ত শতাধিক। সবমিলিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের বিষয়ে ভারতীয়রা এখন লাল তালিকাভুক্ত। যা পরিস্থিতি তাতে ফের কবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের ব্যাপারে ভারতীয়রা সবুজ সংকেত পাবেন, তা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা। এদিকে আগামী জুনে ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার কথা কোহলিদের। এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে সম্ভব হবে গোটা বিষয়টি?

বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা আইসিসি কিন্তু টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল নির্ধারিত সময়ে আয়োজনের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। আগামী ১৮-২২ জুন সাউদাম্পটনের হ্যাম্পশায়ার বোলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা প্রথম ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। রিজার্ভ-ডে হিসেবে রাখা হয়েছে ২৩ জুন দিনটিকে। আইসিসি আশাবাদী নির্ধারিত সময়েই ম্যাচ আয়োজনের বিষয়ে। ইংল্যান্ডে প্রবেশের ব্যাপারে ভারতীয়দের যে লাল তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তার প্রভাব কতোটা, সে ব্যাপারে ইতিমধ্যেই যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে তারা।

মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে এক বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, ‘অতিমারীর মধ্যেও নিরাপদে কীভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কীভাবে আয়োজন করা যায় সেব্যাপারে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এবং অন্যান্য সদস্যরা তাদের পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছে। তাই যুক্তরাজ্যে পরিকল্পনা অনুযায়ী জুনেই ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।’ যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব ম্যাট হ্যানকক জানিয়েছেন, ‘ভারতে করোনার নতুন যে প্রজাতি প্রথম দেখা দিয়েছিল তাতে আমাদের দেশে এখন ১০৩ জন আক্রান্ত। সেই কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এদেশে প্রবেশাধিকারের বিষয়ে ভারতীয়দের লাল তালিকাভুক্ত করার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি আমরা।’

উল্লেখ্য, প্রথম দেশ হিসেবে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল কেন উইলিয়ামসন নেতৃত্বাধীন নিউজিল্যান্ড। এরপর ঘরের মাঠে চার ম্যাচের সিরিজে জো রুটের ইংল্যান্ডকে ৩-১ পরাস্ত করে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল নিশ্চিত করে বিরাট কোহলির টিম ইন্ডিয়া। চলতি আইপিএল শেষ হওয়ার পরেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে ইংল্যান্ডে পাড়ি দেওয়ার কথা কোহলিদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.