নয়াদিল্লি: বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রায় দু’সপ্তাহ অতিক্রান্ত। ওভার-থ্রো বিতর্কের গন্ধ গায়ে মেখেই প্রথমবার দেশের মাটিতে বিশ্বজয়ের স্বাদ পেয়েছে ইয়ন মর্গ্যানের। কিন্তু উত্তেজক ফাইনালের অন্তিম ওভারে মার্টিন গাপ্তিলের ওভার-থ্রোয়ে শ্রীলঙ্কান আম্পায়ারের বিতর্কিত ৬ রানের সিদ্ধান্ত এখনও মন থেকে মেনে নিতে পারেনি ক্রিকেটদুনিয়া। কারও কারও মতে নিউজিল্যান্ডকে বিশ্বজয় থেকে বঞ্চিত করেছেন ধর্মসেনাই।

বিষয়টির স্বপক্ষে দিনকয়েক আগে যুক্তি দিয়েছিলেন খোদ ধর্মসেনাই। এবার প্রথমবারের জন্য ওভার-থ্রো বিতর্কে মুখ খুলে ধর্মসেনাকেই সমর্থন জানাল বিশ্বক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। একটি জনপ্রিয় ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আইসিসি’র জেনারেল ম্যানেজার অফ ক্রিকেট জিওফ অ্যালার্ডাইস ধর্মসেনার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে জানালেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী টিভি আম্পায়রের সাহায্য নেওয়ার কোনও উপায় ছিল না। তাই অন ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে সঠিক পদ্ধতিই অনুসরন করেছে দুই অন-ফিল্ড আম্পায়ার।

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ জয়ের পুরস্কার পেলেন স্টোকস

অ্যালার্ডাইসের কথায়, ‘মাঠে দাঁড়িয়ে ওই মুহূর্তেই দুই অন-ফিল্ড আম্পায়ারকে তাদের সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হত। ওই নির্দিষ্ট ডেলিভারিটিতে কত রান দেওয়া হবে, কমিউনিকেশন সিস্টেমে আলোচনার মাধ্যমেই দু’জনকে সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হত। তাই আমার মতে তারা নিশ্চিতভাবেই সঠিক পদ্ধতিই অবলম্বন করেছেণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে।’ এক্ষেত্রে তাঁর আরও সংযোজন, ‘থ্রোয়ের সময় ক্রিজে উপস্থিত দুই ব্যাটসম্যানের একে অপরকে ক্রস করার নিয়মটি সম্পর্কেও তারা ওয়াকিবহাল ছিলেন। কিন্তু থার্ড আম্পায়ারের সাহায্য নেওয়ার মত পরিস্থিতি তাদের কাছে ছিল না। এমনকি ম্যাচ রেফারি অন-ফিল্ড আম্পায়ারদের গৃহীত সিদ্ধান্তে কোনওরকম হস্তক্ষেপ করতে পারে না।’

আরও পড়ুন: বিরাটদের কোচের পদে আবেদন রবিনের

দু’দলের সমান লড়াইকে যোগ্য সম্মান জানিয়ে কী ট্রফি ভাগাভাগি করে দেওয়া যেত না দু’দলের মধ্যে? সবশেষে আইসিসি’র জেনারেল ম্যানেজার অফ ক্রিকেটকে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হলে তিনি জানান, ‘নির্দিষ্ট একটি দলকেই চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য আইসিসি’র কাছে স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। সেই কারণেই ২০১১ থেকে ফাইনালে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ফলাফল টাই হলে সুপার ওভারে ম্যাচের ফয়সালা করার নিয়ম নথিভুক্ত হয়েছে।’