কেপ টাউন: দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটে ফের ফিরতে পারে নির্বাসনের কালো ছায়া৷ দেশের সরকার ও ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে মতানৈক্য চরমে। যা মোটেও ভালো চোখে দেখচ্ছে না আইসিসি। দ্রুত এই অভ্যন্তরীণ সমস্যার সমাধান না-হলে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডকে নির্বাসিত করতে পারে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়মক সংস্থা।

চলতি বছর অক্টোবরে ভারতের মাটিতে বসতে চলেছে টি-২০ বিশ্বকাপ৷ কিন্তু তার আগে চরম সমস্যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। তাই দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে বাঁচাতে এগিয়ে এলেন তিন ধরনের ফর্ম্যাটের প্রোটিয়া অধিনায়ক৷ মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে তাদের এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট, ওয়ান ডে এবং টি-২০ অধিনায়ক৷

শনিবার সাউথ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের এসজিএম-এ Members’ Council (MC) এবং Interim Board (IB) সদস্যের মধ্যে মতানৈক্য দেখা যায়৷ আলোচনায় কোনও সমাধান সুত্র না-বেরনোয় গোপন ব্যালটের পথ বেছে নেওয়া হয়৷ কিন্তু তা মানতে চান Members’ Council-এর সদস্যরা৷ তারপরই দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের তিন ফর্ম্যাটের ক্যাপ্টেন এক বিবৃতি দেন৷

টেস্ট ক্যাপ্টেন ডিন এলগার, ওয়ান ডে ক্যাপ্টেন তেম্বা বাভুমা এবং টি-২০ ক্যাপ্টেন হেনরিখ ক্লাসেন বিবৃতিতে লিখেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত হওয়া উচিত ছিল৷ কিন্তু আমরা ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন। নভেম্বরে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলার কথা প্রোটিয়া পুরুষ ক্রিকেট দলের। কিন্তু প্রশাসনিক বর্তমান অবস্থা আমাদের প্রস্তুতিকে প্রভাবিত করছে। এরকম চলতে থাকলে আমাদের আশঙ্কা দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডকে নির্বাসিত করতে পারে আইসিসি। এমনটা হলে টি-২০ বিশ্বকাপে আমরা অংশ নিতে পারব না।’

কোনও দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে সরকারি হস্তক্ষেপ মোটেই পছন্দ নয় আইসিসি-র৷ ফলে সেই দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে নির্বাসিত করতে পারে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়মক সংস্থা৷ অতীতে একই কারণে জিম্বাবোয়েকে নির্বাসিত করেছিল আইসিসি৷ দলে বর্ণবৈষম্যের কারণে অতীতে নির্বাসিত হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট৷ ১৯৭০ সাল থেকে ১৯৯১ অর্থাৎ ২১ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ব্রাত্য ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা৷ নির্বাসন মুক্ত হয়ে ১৯৯১ সালের নভেম্বরে ইডেন গার্ডেন্সে ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে দক্ষিণ আফ্রিকা৷ এটি ছিল ওয়ান ডে ম্যাচ৷ আর পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯২ সালের এপ্রিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট খেলে প্রোটিয়াবাহিনী৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.