নয়াদিল্লি: রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল এক আইবি অফিসারের। উত্তর-পূর্ব দিল্লির স্পর্শকাতর অঞ্চলে তাঁকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।

দিল্লির চাঁদবাগে এখনও জারি কার্ফু। আর সেখানেই এই অফিসারের মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, আইবি-র ২০১৭ ব্যাচের অফিসার ইনি। ড্রাইভারের ট্রেনিং চলছিল তাঁর।

গত সোমবার থেকে নতুন করে উত্তপ্ত হয় রাজধানী দিল্লি। এখনও পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

জানা যাচ্ছে, দিল্লিতে ৪৫ কোম্পানি প্যারা মিলিটারি ফোর্স নামানো হল। যার মধ্যে রয়েছে ইন্দো-তিবেতিয়ান পুলিশ ফোর্স, বিএফএফ এবং সিআরপিএফও রয়েছে। এর আগে ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয়বাহিনী মোতায়েন রয়েছে দিল্লিতে। মঙ্গলবারই ৩৫ কোম্পানি ফোর্স নামানো হয়েছিল। দিল্লির মৌজপুর, জাফরাবাদ, চাঁদবাগ, কারাওয়াল নগরে কার্ফু জারি রয়েছে প্রশাসনের৷ মূলত স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে এই বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

আজ বুধবার সকাল থেকে দিল্লির কিছু কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছে। হাসপাতালের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনায়। আহত প্রায় ২০০। বেশির ভাগেরই গুলিতে মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধেয় নতুন করে উত্তর-পূর্ব দিল্লির একাধিক এলাকা অশান্ত হয়ে ওঠে৷ চাঁদবাগে সিএএ ও এনআরসির প্রতিবাদে পথে নামেন মানুষ৷ অনেককে লোহার রড, লাঠি নিয়েও দাপাদাপি করতে দেখা যায়৷ উল্টোদিকে, আন্দোলন দমনের নামেও কয়েকশো লোক জড়ো হয় এলাকায়৷ মুহূর্তে সংঘর্ষ বেঁধে যায় দু’পক্ষের মধ্যে৷ এরই মধ্যে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়েও বিক্ষোভ শুরু করে কয়েকজন৷ পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে গিয়ে বিক্ষোভ তুলে দেয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।