নয়াদিল্লি : ভারতে নিয়ে আসা হবে আরও রাফায়েল জেট। সেই লক্ষ্যেই ফ্রান্স সফরে বায়ুসেনার বিশেষ টিম। এই টিমে রয়েছেন দুজন উচ্চপদস্থ অফিসার। রাফায়েল প্রজেক্টের অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়ার জন্যই এই সফর বলে জানা গিয়েছে।

রাফায়েলের দ্বিতীয় পর্যায়ের জেটগুলি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ভারতে আসবে। সেই জেটগুলির গুণগত মান পরীক্ষা করতেই বায়ুসেনা অফিসাররা ফ্রান্সে গিয়েছেন।

এই টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অ্যাসিসট্যান্ট চিফ অফ এয়ার স্টাফ (প্রজেক্ট)। একদিকে যখন LAC সীমান্তে চিনের সঙ্গে যখন উত্তেজক পরিস্থিতি রয়েছে। তারমধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দেয় রাফায়েল যুদ্ধবিমান। সম্প্রতি লেহ-লাদাখের আকাশেও উড়েছিল এই ফাইটার জেট। এখন পর্যন্ত ফ্রান্স থেকে মাত্র পাঁচটি রাফায়েল পেয়েছে ভারতীয় বাহিনী। পরের দুই থেকে তিন বছরে এই সংখ্যা পৌঁছে যাবে মোট ৩৬ টিতে। ২০২১ সালের মধ্যে এই সমস্ত জেট ভারতের হাতে এসে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

রাফায়েলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এটি শত্রুদেশে প্রবেশ না করেই ৬০০ কিমি দূর থেকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে তা গুঁড়িয়ে দিতে পারে। এছাড়া এই বিমান অত্যাধুনিক প্রযুক্তির দিক দিয়েও উন্নত, যা চাপে রেখেছে চিন-পাকিস্তানকে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক বিতর্ক এবং প্রক্রিয়া সমাপ্তির পরে ভারতে পৌঁছেছে রাফায়েল যুদ্ধবিমান। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে এই যুদ্ধবিমান যোগ দিয়েছে বায়ুসেনায়। তবে আসল প্রশ্ন হল, কী এমন এই যুদ্ধ বিমানের বিশেষত্ব, যাতে ঘাবড়ে যায় শত্রুশিবির।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন রাফায়েলে রয়েছে দুটি Snecma M88 ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিনের সুবিধা হল এই ইঞ্জিনের শক্তি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ। রাফায়েলে স্কাল্প ইজি স্টর্ম শ্যাডো, এএএসএম, ৭৩০ এ ট্রিপল ইজেক্টর র‍্যাক, ড্যামোক্লস পড, হামার মিসাইল অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। মোট তিন ধরনের মিসাইল বসানো যেতে পারে। এয়ার-টু-এয়ার মেটিওর মিসাইল, এয়ার-টু-গ্রাউন্ড স্কাল্প মিসাইল এবং হ্যামার মিসাইল। এরফলে কয়েকগুণ শক্তিবৃদ্ধি হয় সেনার।

এছাড়াও রাফালের আকার এই যুদ্ধবিমানকে হাওয়ায় লড়াই করতে সাহায্য করে। রাফায়েল দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে যথাক্রমে ১৫.২৭ মিটার ও ১০.৮০ মিটার। অন্যদিকে চেঙ্গদু লম্বায় ২০.৪ মিটার ও চওড়ায় ১৩.৫ মিটার। এই যুদ্ধবিমানে একবার জ্বালানী ভরা হলে এটি ১০ ঘন্টা একটানা হাওয়ায় উড়তে পারে। এছাড়া উড়তে উড়তেও জ্বালানী ভরতে পারে এই যুদ্ধবিমান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।