সিমলা: কয়েকদিন পরই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবে ভারত। আর তার ঠিক আগেই চিনের সঙ্গে সংঘাত পরিস্থিতির মাঝে রাতের আকাশে উড়ল রাফায়েল। সদ্য ভারতে আসা রাফায়েলগুলি আকাশে ওড়ানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

যদিও ভারত-চিন সীমান্ত থেকে একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব রেখেই রাফায়েল বিমানগুলি ওড়ানো হয়েছে। তবে, এই বিমান ওড়ানোর ফলে চিনের সেনাবাহিনীর কাছে একটা কড়া বার্তা যাবে বলেই মনে করছেন তিনি।

যে অঞ্চলে ঘাঁটি গেড়েছিল চিনের সেনাবাহিনী। সম্প্রতি সেখানেই অ্যাটাক হেলিকপ্টার উড়িয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

রাতের অন্ধকারে দৌলত বেগ ওল্ডির মাথায় উড়েছে আমেরিকা থেকে আসা সেই বিমান। ভারতীয় সেনার কারাকোরাম পাসের আছে থাকা সর্বশেষ পোস্ট এই দৌলত বেগ ওল্ডি।

সূত্রের খবর, ডিবিও সেক্টররে কাছে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে সম্প্রতি অধিকৃত আকসাই চিনের একতি পোস্টে মিটিং হয় কমান্ডার স্তরে। ডেসপাং ভ্যালিতে প্যাট্রলিং চালানোর দাবি জানিয়েছে ভারতীয় সেনা।

ওই এলাকায় যদি পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে ভারতীয় সেনা কীভাবে জবাব দেবে, সেটারই একটা মহড়া দেওয়ার জন্য ওই চিনুক ওড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে, গত ২৯ জুলাই ফ্রান্স থেকে ৫টি রাফায়েল ফাইটার জেট ভারতে আসার একদিন পর থেকেই দুই দেশ যে বেশ চিন্তিত, তার প্রকাশ ঘটছে। ইসলামাবাদ নিজেদের চিন্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে ভারতের তরফ থেকে হামলার আশঙ্কা করে, অপরদিকে, চিন চাইছে শান্তি বজায় রাখুক ভারত।

পাকিস্তান বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে আবেদন করেছে ভারতের বৈষম্যমূলক ভাবে অস্ত্র সংখ্যা বৃদ্ধি করার প্রবণতাকে ঠেকাতে। পাকিস্তানের দাবি ভারতকে যেন বিভিন্ন দেশ বুঝিয়ে নিরস্ত করে অস্ত্রবৃদ্ধির বিষয়ে। পাক বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র আইশা ফারুকি এই আবেদন করেন।

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ সীমান্তে অহেতুক অস্ত্রসংখ্যা বৃদ্ধি করে উত্তাপ বাড়াচ্ছে নয়াদিল্লি। দক্ষিণ এশিয়ায় অস্ত্র কেনাবেচার প্রতিযোগিতা এতে আরও বাড়বে বলে অভিযোগ তাদের।

এদিকে, রাফায়েল জেট ভারতে নামার পরেই চিন ও পাকিস্তানকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেই বক্তব্যকে তুলে ধরে চিনের দাবি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখবে ভারত, এটা তারা আশা করে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন আঞ্চলিক শান্তি ও কূটনৈতিক স্থিতাবস্থা ভারত যেন বজায় রাখে। তাহলে দুদেশেরই শান্তি বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে চিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।