নয়াদিল্লি : মাসের প্রথমেই বড়সড় সুখবর। ফের সামরিক শক্তিতে চিন, পাকিস্তানকে টেক্কা দিয়ে এগিয়ে যেতে চলেছে ভারত। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি ফিফথ জেন ফাইটার জেটের ইঞ্জিন পেতে চলেছে বায়ুসেনা। ইতিমধ্যেই এই ইঞ্জিন তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও।

এই প্রথম ভারতের বায়ুসেনার হাতে আসবে ফিফথ জেন ফাইটার জেটের ইঞ্জিন, যা সম্পূর্ণ ভাবে দেশে তৈরি। ফিফথ জেনারেশন অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফটের জন্য যা তৈরি করা হচ্ছে। ইকোনমিক টাইমসের রিপোর্ট জানাচ্ছে ডিআরডিও-র পরিকল্পনা রাফায়েল জেটের জন্য এই ইঞ্জিন অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হবে।

ডিআরডিও-জানিয়েছে একদম নতুন ধাঁচের ১১০ কিলো নিউটনের ইঞ্জিন বানানো হচ্ছে, যা ভারতের সামরিক ক্ষেত্রের ভবিষ্যত হিসেবে তৈরি হবে। অত্যাধুনিক ফাইটার জেটের জন্য এই ইঞ্জিন তৈরি করা হয়েছে, তাই রাফায়েল জেটের জন্যও কার্যকর হবে এটি। ভারতীয় বায়ুসেনাকে স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার উদ্দ্যেশে এই ইঞ্জিন অগ্রগণ্য ভূমিকা নেবে।

এই ইঞ্জিন তৈরির পরিকাঠামো সহায়তা ও প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য ফ্রান্সের জেট ইঞ্জিন প্রস্তুতকারক সংস্থা সাফরানের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে ডিআরডিও-র পক্ষ থেকে। হিন্দুস্তান এয়ারোনটিকস লিমিটেডের সঙ্গে একযোগে এই ইঞ্জিন বানানোর ব্যাপারে সহায়তা করবে সাফরান বলে খবর।

এদিকে, বুধবারই সামরিক শক্তিতে ফের সাফল্য এসেছে ভারতের কাছে। সফল ভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মস। এই মিসাইল ৪০০ কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত ভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ডিআরডিও-র আওতায় পিজে-১০ প্রজেক্টের নিয়ন্ত্রণাধীন এই মিসাইল বুধবার সকাল ১০ টায় উৎক্ষেপণ করা হয়।

এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ব্রহ্মস মিসাইল পরীক্ষা করা হয়। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি অতিরিক্ত বুস্টার প্রয়োগ করে এই মিসাইল তৈরি করা হয়। এই মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণের ফলে ডিআরডিও-র হাতে এখন ৫০০ কিমি রেঞ্জের মিসাইল তৈরি রইল।

নতুন ভাবে পরীক্ষা করা হয় ব্রহ্মস । কারণ এতে রামজেট ইঞ্জিন ও ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেমে পরিবর্তন আনা হয়েছে। সফটওয়ারেও কিছু পরিবর্তন এসেছে। উচ্চ তাপমাত্রায় সফল ভাবে কাজ করতে সক্ষম ব্রহ্মস । ভারতীয় সেনার চাহিদা অনুযায়ী এই মিসাইল তৈরি করেছে ডিআরডিও।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।