নয়াদিল্লি: কেটে গিয়েছে পাঁচ দিন৷ এখনও খোঁজ মেলেনি সেই বায়ুসেনা বিমানের৷ ১৩ জন যাত্রীকে নিয়ে মাঝ আকাশে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় এএন-৩২ মডেলের এয়ারক্র্যাফট৷ বিমানের খোঁজ পেতে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয় সুখোইকে৷ অভিযান আশানুরূপ না হওয়ায় এবার নিখোঁজ বিমানের সন্ধান পেতে পুরস্কারের ঘোষণা করল বায়ুসেনা৷

শনিবার ভারতীয় বায়ুসেনার ঘোষণা, নিখোঁজ বিমানটির কেউ কোনও খোঁজ দিতে পারলে পাঁচ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে৷ যিনি বিমানটির বিষয়ে কোনও খোঁজ দিতে পারবেন তাঁকে কয়েকটি নম্বরে যোগাযোগ করতে হবে৷ নম্বরগুলি হল ০৩৭৮-৩২২২১৬৪৷ এছাড়া মোবাইল নম্বর গুলি হল ৯৪৩৬৪৯৯৪৭৭ অথবা ৯৪০২০৭৭২৬৭ অথবা ৯৪০২১৩২৪৭৭৷

উল্লেখ্য, গত সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ, ৮ জন বায়ুসেনা কর্মী সহ ১৩ জন যাত্রী নিয়ে অসমের জোরহাট থেকে চিন-সীমান্ত লাগোয়া মেনচুকা অ্যাডভান্সড ল্যান্ডিং গ্রাউন্ডের উদ্দেশে রওনা দেয় ‘অ্যান্টোনভ এএন-৩২’ বিমানটি। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এটিসি-র সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ছয় দিন হতে চলল৷ নিখোঁজ বিমানের কোনও সন্ধানই মেলেনি৷ এদিকে বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়, বিমান ও তার সওয়ারীদের খোঁজে দিনরাত তল্লাশি-অভিযান চলছে। আগে বিমানটির খোঁজ পেতে সুখোই ৩০ জেট ফাইটারকে নামানো হয়েছিল৷ এরপর সি১৩০জে, মি১৭ ও এএলএইচ চপারকে তল্লাশি অভিযানে পাঠানো হয়৷

অতীতে বেশ কয়েকবার দূর্ঘটনার কবলে পড়ে এএন-৩২ বিমানটি৷ বায়ুসেনার নথি ঘেঁটে জানা গিয়েছে, ১৯৯০ সালের ১৫ জুলাই তিরুঅনন্তপুরম যাওয়ার পথে ভেঙে পড়ে বিমানটি৷ এরপর ২০০৯ সালের ১০ জুন সেই অরুণাচল প্রদেশের মেনচুকায় যাওয়ার সময় ১৩ জন যাত্রীকে নিয়ে ভেঙে পড়ে বিমানটি৷ দুর্ঘটনায় সকল যাত্রীর মৃত্যু হয়৷ ২০১৬ সালে ২৯জন যাত্রীকে নিয়ে চেন্নাই থেকে পোর্টব্লেয়ার যাওয়ার পথে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় বিমানটি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।