স্টাফ রিপোর্টার, নন্দীগ্রাম: সিঙ্গুরে টাটাকে তাড়ানো ও মমতাকে সঙ্গ দিয়ে ভুল করেছিলাম৷ নন্দীগ্রাম সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে এই অনুশোচনা গেল  বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের গলায়৷

সিঙ্গুরে টাটার কারখানার নামে জোর করে কৃ৷কদের থেকে জমি অধিগ্রহণ করেছে বামফ্রন্ট সরকার। সেই অভিযোগে আন্দোলন করেছিলেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আন্দোলনের জেরে সিঙ্গুর ছেড়ে গুজরাতের সানন্দে পাড়ি দিয়ে দিয়েছিল টাটারা। উল্লেখ্য,  সেই গুজরাত থেকেই প্রথম ভারতের বাজারে আসে টাটাদের ন্যানো গাড়ি। সেইসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই আন্দোলনের অন্যতম সেনাপতি ছিলেন মুকুল রায়। এদিন সেই মুকুল রায়ের ঝড়ে পড়ল আন্দলন করার আক্ষেপ।

মুকুল রায় নন্দীগ্রামের সভা থেকে বলেছেন বিজেপি ক্ষমতায় এলে ফের রাজ্যে টাটাদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবেন তিনি। তার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে আবেদন জানাবেন তিনি। মুকুল বলেন,’সিঙ্গুর আন্দোলনে মমতাকেসঙ্গ দেওয়াটা ভুল হয়েছে।  টাটাকে বাংলা থেকে তাড়ানোটা ভুল হয়েছে। আমি এখন অনুতপ্ত। সেই কারণে বাংলায় কোনও বড় শিল্প আসেনি। বেকারদের কর্মসংস্থান নেই। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হলে সিঙ্গুরে টাটাকে ফেরানোর দাবিতে প্রধান মন্ত্রীর কাছে দরবার করা হবে। সিঙ্গুরে ফের কারখানা হবে।’

বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুকুল রায় আরও বলেন, ‘আমি নন্দীগ্রামের মাটিতে অনেকবার এসেছি৷ নন্দীগ্রামটা চিনি, এখানকার মানুষ কী চায় জানি৷ অনেক ঘটনার সাক্ষী থেকেছি৷’ এর পরেই সিঙ্গুর আন্দোলনের সঙ্গে নন্দীগ্রামের তুলনাও টানেন মুকুল৷ যদিও তিনি বলেন, সিঙ্গুরের সঙ্গে নন্দীগ্রামের পার্থক্য আছে৷ মুকুল দাবি করেন, নন্দীগ্রামে মানুষের জমি, ঘর, বাড়ি সবকিছু কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল তৎকালীন বাম সরকার৷ সেই লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেওয়া থেকে শুরু করে পরবর্তী সময়ে শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও শুভেন্দু যোগাযোগ রেখেছেন দাবি করেন মুকুল৷ তাঁর দাবি, এবারেও ফের পরিবর্তনের হাওয়া উঠেছে রাজ্যে৷ নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে মুকুল রায় এদিন বলেছেন তিনি বেঁচে থাকতে থাকতে পরিবর্তন দেখে যেতে চান। নন্দীগ্রামের মাটি থেকে বাংলায় পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। আবারও একটা পরিবর্তন দেখে যেতে চান তাঁরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।