কলকাতা : সারা দিনের ঘটনাক্রম সন্ধ্যায় শেষ হল। সকাল থেকে রাজ্যের দুই মন্ত্রী, এক বিধায়ক, এক প্রাক্তন মন্ত্রীকে সিবিআই নারদকাণ্ডে সকাল বেলায় বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান। এর পরই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজাম প্যালেস সিবিআই-র দফতরে চলে যান। সেখানে প্রায় ৬ ঘণ্টা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সন্ধ্যায়, বেরিয়ে আসেন। নারদ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া রাজ্যের দুই মন্ত্রী-সহ চার হেভিওয়েট নেতাকে নিয়ে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আদালতই নেবে, এই কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে সোজা নবান্নে (Nabanna) চলে যান ।

সোমবার সকাল ১০টা ৪৭ মিনিটে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দপ্তরে প্রবেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নারদ কাণ্ডে রাজ্যের দুই মন্ত্রী-সহ চার হেভিওয়েট নেতাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সেখানে হাজির হয়েই সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, আগাম নোটিস ছাড়াই বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ফিরহাদ-সুব্রত-মদনদের। তাই তাঁকেও গ্রেপ্তার করতে হবে। তাঁকে গ্রেপ্তার করা না হলে নিজাম প্যালেস তিনি ছাড়বেন না।

সোমবার সকালে কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই নারদ কাণ্ডে গ্রেপ্তার করা হয় রাজ্যের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্র ও প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য-রাজনীতিতে নিমেষে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। গ্রেপ্তারির খবর পাওয়া মাত্রই নিজাম প্যালেসে যান রত্না চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমের কন্যা, তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অসংখ তৃণমূল কর্মী-সমর্থক । এর কিছুক্ষণ পরেই নিজাম প্যালেস আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যপফধ্যায় । সরাসরি নিজাম প্যালেসের ১৫ তলায় সিবিআই দপ্তরে উঠে যান মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমে তিনি কথা বলেন আইনজীবীদের সঙ্গে। এরপর সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা হয় তাঁর। তিনি দাবি করেন, যেভাবে এই চার নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, আইনি নয় । মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর পর প্রায় ৬ ঘণ্টা ডিআইজি, সিবিআইয়ের (CBI) ঘরের সামনে ধরনায় বসেন । মামলাটি ভারচুয়ালি আদালতে পেশ হওয়ার সময়ও নিজাম প্যালেসেই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তারপর বেরিয়ে এসে জানিয়ে দেন, “আমি কিছু বলব না। এ নিয়ে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আদালতই নেবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.