রিও ডি’জেনেইরো: রূপকথার শহর রিওতে ৩১তম অলিম্পিকে বিশ্বের ২০৬টি দেশের ১০ হাজারের বেশি প্রতিযোগী  নেবে পড়বে নিজেদের সবটুকু উজার করতে৷  আগামি ১৬টা দিন ৪২ ডিসিপ্লিনের ৩০৬টি ইভেন্টে ২ হাজার ৪৮৮ পদকের জন্য লড়াই করবেন অ্যাথলিটরা৷ কিন্তু এখানে যৌনতার উপর কোনও ইভেন্ট নেই৷ তাহলে জুলিয়ানো রবার্টস নামক এই সুন্দরী মহিলা কি পাগল হলেন? তিনি যৌনতায় কিভাবে সোনার পদক জিতবেন? একটু অন্যভাবে বলা যাক, জুলিয়ানো পেশায় একজন এসকর্ট গার্ল৷

এবার অলিম্পিকে যৌনতা একটা বড় বিষয়৷ ব্রাজিলের রিও শহরে সেই যৌনতা আবার আলাদা একটা মাত্রা বহন করে৷ আর রূপকথার শহর রিও মানেই কোপাকাবানা বিচ৷ এই সময় সেখানে নিটল শরীর নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে রাতারাতি সোনার চাঁদও মিলে যেতে পারে৷ সেই সুযোগ হাতছাড়া করতে একেবারেই নারাজ ২৩ বছরের জুলিয়ানো৷

তিনি বলছেন, ‘আমাদের এই মায়াবি শহরে অলিম্পিক আসরে কত মানুষ আসছেন সোনা জিততে৷ আমিও তার অংশীদার হতে চাই৷ তবে একটু অন্যভাবে৷ আমি শরীর দিয়ে পকেট ভর্তি করতে চাই৷’ এরপর একটু হেসে বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে বললেন, ‘অলিম্পিকের সুবাদে আমার ব্যবসা ফুলে ফেঁপে উঠুক৷ তবে এখানেও প্রতিযোগিতাটা খুব কঠিন৷ হাজার হাজার ডলার উপার্জন করতে হলে আপনাকে বিরাট প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে৷’

আসলে অলিম্পিক উপলক্ষে গোটা বিশ্ব থেকে প্রায় চারলক্ষ মানুষ রিও ভিড় জমাচ্ছেন৷ এসকর্টের যৌনকর্মী ১২হাজার৷ সত্যি তো, এখানে যৌনতায় সোনা জেতাটা অলিম্পিরে থেকে কোনও অংশে কম কসরতের নয়!