শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তণ উপাচার্য। এক সময় ফুলব্রাইট স্কলারশিপ পেয়ে গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে। বহুদিন পড়িয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাম আমলে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চশিক্ষা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। এবারের লোকসভা নির্বাচন বিষয়ে কী ভাবছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে কথা বললেন অরুণাভ রাহারায়।

প্রশ্ন: পঞ্চম দফাতেও অশান্তি এড়ানো গেল না। উঠে এসেছে ভোট লুঠের খবর। কী বলবেন?

পবিত্র সরকার: এ পর্যন্ত ভোট লুঠ হয়ে আসত প্রায় এক তরফা। মানুষ এখন তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছে। সে জন্যই সংঘাত হচ্ছে এবং সংঘর্ষ ঘটছে। এবারের নির্বাচনে এই ব্যাপারটা আমি লক্ষ্য করেছি।

প্রশ্ন: কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন কতটা কার্যকরি হচ্ছে বলে মনে করেন?

পবিত্র সরকার: যাঁরা ভোট লুঠ রুখতে চান, তাঁরা কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখে হয়তো ভরসা পেয়েছেন।

প্রশ্ন: শঙ্খ ঘোষ থেকে নাসিরুদ্দিন–- অনেকেই বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করেছেন। আপনি কি শঙ্খবাবুদের সমর্থন করেন?

পবিত্র সরকার: হ্যাঁ আমি নিশ্চয়ই সমর্থন করি তাঁদের। সম্প্রাদায়িক শক্তিকে কোনও ভাবেই আসনে বসানো যাবে না।

প্রশ্ন: আপনি শিক্ষা জগতের মানুষ। গত বছর কলেজে ভর্তির সময় টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কী বলবেন?

পবিত্র সরকার: কলেজে ভর্তি নিয়ে টাকা তুলবার ব্যবসা হয়েছিল। যা খুবই কুৎসিত। এটা চুরি ডাকাতির মতোই একটা অপরাধ। যারা যোগ্য নয় তাদের ভর্তি করা হয়েছিল। আর যোগ্যদের সঙ্গে বঞ্চনা করা হয়েছিল। সে দৃশ্য চোখে দেখা যায় না।

প্রশ্ন: পরিবর্তনের এক দশক হতে চলল। একজন নাগরিক হিসেবে রাজ্যের আবহাওয়া কেমন বুঝছেন?

পবিত্র সরকার: নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি পরিবর্তনের পরিবর্তন হওয়া দরকার। যদিও এই নির্বাচন, সেই নির্বাচন নয়। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালাবদলের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও