মোহালি: মোহালি ম্যাচের আগে শেষ ১৫ ইনিংসে মাত্র দু’টি অর্ধশতরান। ওপেনার শিখর ধাওয়ানের অফ-ফর্ম বিশ্বকাপের আগে চিন্তায় ফেলেছিল দলের থিঙ্ক-ট্যাঙ্ককে। কিন্তু মোক্ষম সময়ে জ্বলে উঠলেন ‘গব্বর’। দল হারলেও সিরিজের চতুর্থ ওয়ান ডে-তে ঝলসে উঠল তাঁর ব্যাট। রবিবার আইএসবিন্দ্রা স্টেডিয়ামে কেরিয়ারের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটা খেলে ফেললেন ধাওয়ান।

১৭ ম্যাচ পর রবিবার মোহালিতে বাঁ-হাতি ওপেনারের ব্যাট থেকে এসেছে শতরান। ১৮টি বাউন্ডারি ও ৩টি ওভার বাউন্ডারি সহযোগে ১১৫ বলে ১৪৩ রান ধাওয়ানের কেরিয়ার বেস্ট। শুধু তাই নয় রোহিত শর্মার সঙ্গে তাঁর ১৯৩ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপে ভর করে টিম ইন্ডিয়াকে চালকের আসনে বসিয়ে দেন ধাওয়ান। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিতে এই ইনিংসের মোটিভেশন প্রসঙ্গে ম্যাচের পর ধাওয়ান জানান, শান্ত থাকলেই আমার সেরা পারফরম্যান্সটা বেরিয়ে আসে।

আরও পড়ুন: জঘন্য ফিল্ডিং ও অতি জঘন্য কিপিংয়ে লজ্জার হার ভারতের

এপ্রসঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেটের ‘গব্বর’ জানান, ‘আমায় নিয়ে কে কী বলল বা লিখল তাতে যায় আসে না। ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে আমি আমার কাজটা করে যেতে চাই। কোনও ঘটনায় আঘাতপ্রাপ্ত হলে দ্রুত সেই ঘটনা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।’ কঠিন সময় সমালোচনা প্রসঙ্গে তাঁর আরও সংযোজন, ‘খারাপ সময় মাথা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করি। যাতে আমার সেরা পারফরম্যান্সটা বেরিয়ে আসে।’

আরও পড়ুন: ডিআরএস নিয়ে ক্ষুব্ধ বিরাট

উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডের মাটিতে ২০১৩ এবং ২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ব্যাট হাতে ধাওয়ানই ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তাই ইংল্যান্ড-ওয়েলসের মাটিতে আসন্ন বিশ্বকাপে ওপেনিংয়ে রোহিতের পাশাপাশি ধাওয়ানের ব্যাটেই দিশা খুঁজছে ‘মেন ইন ব্লু’। কিন্তু রবিবাসরীয় ম্যাচের আগে অফ-ফর্ম হঠাৎই তাড়া করে ফিরছিল বাঁ-হাত ওপেনারকে। কিন্তু সঠিক সময়ে জ্বলে উঠল তাঁর ব্যাট।

আরও পড়ুন: সুপার কাপে শুরুতেই বাগানের সামনে সুনীলরা

তাই শেষ বেলায় ধাওয়ান জানিয়ে গেলেন, ‘চারপাশে কী ঘটছে মাথা ঘামাই না। নিউজপেপারও দেখি না। কঠিন সময়ে নিজের একটা জগৎ করি। আমার ভাবনা আম্য যে দিকে নিয়ে যায় আমি সেদিকেই যেতে পছন্দ করি।’ যদিও ধাওয়ানের বিধ্বংসী ইনিংস রবিবাসরীয় মোহালিতে জয় এনে দিতে পারেনি ভারতকে। টিম ইন্ডিয়ার ছুঁড়ে দেওয়া ৩৫৯ রানের লক্ষ্যমাত্রা ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩ বল বাকি থাকতেই তুলে দেয় অস্ট্রেলিয়া। সেইসঙ্গে সিরিজে সমতা ফিরিয়ে আনে অজিরা।