নয়াদিল্লি: দেশের প্রধান লিগের মর্যাদা পাওয়া আইএসএলের ছায়ায় অনেকটাই ঢাকা পড়ে গিয়েছে একদা দেশের প্রধান লিগ ন্যাশনাল ফুটবল লিগ, অধুনা আইলিগ। বিভিন্ন দেশে প্রিমিয়র ডিভিশন লিগ শুরু হয়ে গিয়েছে প্রায় মাসদু’য়েক আগে। চলতি মরশুমে আইএসএলও ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে গত ২০ অক্টোবর। অথচ আইলিগ কবে থেকে শুরু, গতকাল অবধি অজানা ছিল ক্লাবগুলোর।

অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় লিগ কমিটির মিটিংয়ে চূড়ান্ত হল সিদ্ধান্ত। চলতি মরশুমে আই লিগের ঢাকে কাঠি পড়ছে আগামী ৩০ নভেম্বর। তবে আই লিগের দ্বাদশ সংস্করণ সম্প্রচার হবে কোন চ্যানেলে, বিষয়টি ঝুলে রইল এদিনের সভায়। খুব শীঘ্রই এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে এআইএফএফ। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে লিগ কমিটির মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন এআইএফএফ’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা আই লিগ কমিটির চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত, সিইও সুনন্দ ধর, সচিব কুশল দাস। উপস্থিত ছিলেন লিগ কমিটির সদস্য অনিল কুমার, চিরাগ তান্না ও এআইএফএফ টেকনিক্যাল ডিরেক্টর আইজ্যাক দরু।

এআইএফএফ’র তরফ থেকে প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘আই লিগ ২০১৯-২০ শুরু হচ্ছে আগামী ৩০ নভেম্বর। এক সপ্তাহের মধ্যে অফিসিয়াল ব্রডকাস্টারের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’ আই লিগ চলাকালীন প্রত্যেকটি ক্লাব সর্বোচ্চ তিনজন বিদেশি পরিবর্তন করতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এদিনের সভায়। পাশাপাশি যে কোনও ক্লাবের তরফ থেকে সর্বোচ্চ আটজন অফিসিয়াল ম্যাচের সময় বেঞ্চে বা ডাগ আউটে থাকতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। অনুর্ধ্ব-২২ বাধ্যতামূলক করা হবে কীনা, বিষয়টি আই লিগ ক্লাবগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে এআইএফএফ।

১০টি ক্লাবকে আই লিগ দ্বিতীয় ডিভিশনের জন্য নির্দিষ্ট লাইসেন্সিং প্রক্রিয়াকরণের আওতায় রাখা হয়েছে। এরা হল- ভবানীপুর ক্লাব, মহামেডান স্পোর্টিং, লোনেস্টার কাশ্মীর এফসি, আরা এফসি, এনজিআর ফুটবল ক্লাব (জম্মু), কিকস্টার্ট এফসি (কর্ণাটক), এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড, এফসি কেরালা, এইউ রাজস্থান এফসি, গাড়োয়াল এফসি। একইসঙ্গে এটিকে, জামশেদপুর এফসি, বেঙ্গালুরু এফসি, চেন্নাইয়িক এফসি, এফসি গোয়া, কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি, মুম্বই সিটি এফসি, হায়দরাবাদ এফসি’র মত আইএসএল খেলা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির রিজার্ভ দল খেলবে আইলিগ দ্বিতীয় ডিভিশনে।