পানাজি: গোয়া, দেশের পশ্চিমের রাজ্যটি যেন এক টুকরো ইউরোপ। বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে গোয়াকে নিয়ে সবসময়ই একটা বাড়তি আবেগ কাজ করে। করোনা আবহে গোয়ায় বিদেশি পর্যটকদের দাপাদাপি এখন অনেকটাই কম। তাতে কী? মায়াবী গোয়ায় এখন আবেগ পড়ে গোটা দেশের। রাত পোহালেই পশ্চিমের ছোট্ট রাজ্যটিতে শুরু আইএসএল মহারণ। আগামী কয়েকমাস তাই অনুরাগীদের চোখ গোয়াতেই। করোনা আবহে ভেন্যুর নিরিখে পরিসর ছোট হলেও আইএসএলের এবার মহা কলেবরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কলকাতার দুই প্রধান ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের যোগদানে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের লড়াই এবার আরও জমাটি।

আর আগামীকাল অর্থাৎ ২০ নভেম্বর উদ্বোধনী ম্যাচেই মাঠে নামছে এটিকে-মোহনবাগান। বিপক্ষে কিবু ভিকুনার কেরালা ব্লাস্টার্স। যে সবুজ-মেরুনের কোচ হিসেবে গতবার আইলিগ জিতে ভারতের ফুটবল সার্কিটে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছিলেন পোল্যান্ডজাত স্প্যানিশ কোচ। সেই সবুজ-মেরুন এবার প্রথম ম্যাচে কিবুর প্রতিপক্ষ। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে নামার আগে তাই কিছুটা নস্ট্যালজিক কিবু। মোহনবাগান এটিকের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে নয়া এন্টিটি তৈরি হওয়ায় আইলিগ জেতানোর পরেও তাঁর চুক্তি নবীকরণ হয়নি। কারণ আইএসএল দেওয়া আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে সরানোর কোনও অবকাশই ছিল না এটিকে-মোহনবাগান ম্যানেজমেন্টের কাছে। তবে আইলিগ দেওয়া কোচকে দেশে ফিরতে হয়নি। তাঁর কোচিং দর্শনে মুগ্ধ কেরালা ব্লাস্টার্স সময় নষ্ট না করে কিবুকে নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগ করে।

আগামীকাল সামনে সেই এটিকে-মোহনবাগান। হাবাসের সঙ্গে মগজাস্ত্রের লড়াইয়ে নামার আগে আইলিগ জয়ী কোচ বলছেন, ‘মোহনবাগান নিয়ে এখনও আমার সমান আবেগ। ওরা আমার সঙ্গে খুব ভালো ব্যবহার করেছিল। আমার অনেক বন্ধু ওখানে। তবে কেরালা ব্লাস্টার্সে যোগ দিয়েও আমি খুশি। আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। এখানেও আমি দারুণ অভ্যর্থনা পেয়েছি।’ এদিকে করোনার কারণে প্রাক-মরশুম প্রস্তুতি কম হয়েছে। তবে সেটাকে দলের খারাপ পারফরম্যান্সের অজুহাত হিসেবে খাড়া করতে রাজি নন তিনি।

কিবু বলছেন, ‘প্রাক-মরশুম প্রস্তুতি বেশ কিছুটা কম হয়েছে। আনকোরা একটা দলের জন্য আরও কয়েকটাদিন অনুশীলন জরুরি ছিল। আমার দলে এমন ফুটবলারও রয়েছে যার তিনদিন আগে কোয়ারেন্টাইন শেষ হয়েছে। তবে সব দলেরই এমন সমস্যা রয়েছে। আমি এটাকে অভিযোগ বা অজুহাত হিসেবে দেখতে চাই না। অবশেষে লিগ শুরু হচ্ছে আমরা তাতেই খুশি।’ করোনার জেরে ভিসা সংক্রান্ত সমস্যায় বিদেশি ফুটবলারদের এদেশে পৌঁছতেও কিছুটা দেরি হয়েছে। তাই শারীরীকভাবে এবং ট্যাকটিক্যালি তাদের আরেকটি সময় প্রয়োজন ছিল বলেও মনে করছেন কেরালা কোচ। এপ্রসঙ্গে কিবু বলছেন আমরা হয়তো আগামী মাস থেকে নিজেদের সেরাটা মেলে ধরতে পারব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.