চেন্নাই: ডোনাল্ড ট্রাম্প নরেন্দ্র মোদীকে বলছেন, ‘আপনার দেশেও একটা ওয়াশিংটন আছে আগে বলেননি তো’। গাব্বা টেস্টের পর ভারতীয় ক্রিকেটের নতুন তারা ওয়াশিংটন সুন্দরকে নিয়ে এমনই এক মজার মিম ঘুরে বেড়াচ্ছিল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে। সদ্যসমাপ্ত অস্ট্রেলিয়া সফর শেষবেলায় ভারতীয় ক্রিকেটকে উপহার দিয়েছে একঝাঁক নতুন তারকা। যাঁদের মধ্যে অন্যতম চেন্নাইজাত ওয়াশিংটন সুন্দর।

পিঠের ব্যথায় কাবু আরেক দক্ষিণী স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বদলি হিসেবে ব্রিসবেন গাব্বায় টেস্ট অভিষেক হয়েছিল যার। উইকেট তুলে নেওয়ার পাশাপাশি কৃপণ বোলিংয়ে ২০২০ আইপিএলে নজর কেড়েছিলেন আরসিবি’র এই স্পিনার। কিন্তু ব্রিসবেন টেস্টে অভিষেকেই ওয়াশিংটন প্রমাণ করলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও তিনি লম্বা রেসের ঘোড়া। ৪ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি দু’ইনিংস মিলিয়ে মূল্যবান ৮৪ রানে গাব্বায় ভারতের সিরিজ জয়ে অন্যতম ভূমিকা নিয়েছেন ওয়াশিংটন। আর স্বপ্নের অভিষেকের পর সিরিজ জিতে দেশে ফেরার পর থেকেই মায়ের হাতে তৈরি চিকেন বিরিয়ানি আর আহ্লাদে আটখানা হয়ে রয়েছেন এই স্পিনিং অলরাউন্ডার।

দেশের প্রথম সারির এক সংবাদমাধ্যমকে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ওয়াশিংটন নিজেই সেকথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বাড়ি ফিরে দু’দিন আগেই মা আমাকে চিকেন বিরিয়ানি রেঁধে খাইয়েছে এবং সারাক্ষণ প্যাম্পার করে চলেছে। তবে দিনদু’য়েকের মধ্যেই ফের ইংল্যান্ড সিরিজ খেলতে দলের সঙ্গে যোগদান করব।’

উল্লেখ্য, গাব্বায় নির্ণায়ক টেস্টের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ৩৬৯ রানের জবাবে সপ্তম উইকেটে ওয়াশিংটন – শার্দুলের ব্যাটে লড়াইয়ের রসদ পেয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। সপ্তম উইকেটে এই দুই ব্যাটসম্যানের জুটিতে ওঠে ১২৩ রান। ওয়াশিংটন করেন ৬২ রান। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে রান তাড়ার সময় পন্তের সঙ্গে জুটি বেঁধে ষষ্ঠ উইকেটে ৫৩ রান যোগ করেন তিনি। ওয়াশিংটন নিজে করেন ২২ রান। যার মধ্যে প্যাট কামিন্সকে হুক করে হাঁকানো তাঁর একটি ছক্কা ক্রিকেট অনুরাগীদের মনের মনিকোঠায় থেকে যাবে বহুদিন।

পন্তের সঙ্গে তাঁর এই মূল্যবান জুটি নিয়ে বলতে গিয়ে ম্যাচ শেষে ওয়াশিংটন জানিয়েছিলেন, ‘অনুর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেটে একসঙ্গে খেলার সুবাদে পন্তের সঙ্গে পার্টনারশিপটা গড়ে তুলতে সুবিধা হয়েছে। পন্ত দুর্দান্ত ব্যাট করে ম্যাচ তখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে এনে দিয়েছিল। আমি যখন ক্রিজে যাই তখন দলের ৫০ রান মত দরকার ছিল। ঠিক করেছিলাম আমি ২৫-৩০ রান করতে পারলে বিপক্ষের উপর চাপ বাড়বে আর ম্যাচটা আমরা সহজেই জিতব। ঠিক তেমনটাই মাঠে নেমে করেছি আমি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।