লখনউ: চলতি মাসের শেষেই প্রাক-মরশুম প্রস্তুতি শুরু করছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। সরকারী নির্দেশ মেনে ক্রিকেটারদের এক্ষেত্রে যেতে হবে একাধিক প্রোটোকলের মধ্যে দিয়ে। তবে ভারতে করোনা যেভাবে ভয়াবহ আকার নিয়েছে তাতে অবিলম্বে এদেশে এমন কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। যা বড়সড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে চলতি বছর ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগ আইপিএলের ভবিষ্যৎকে।

জাতীয় দলের তারকা পেসার মহম্মদ শামির মতেও চলতি বছর আইপিএল অনুষ্ঠিত হওয়া সম্ভব নয়। গত ২৯ মার্চ প্রাথমিকভাবে যে টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার কথা ছিল, তা আপাতত অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত। অদূর ভবিষ্যতে দেশে ক্রিকেট চালু হওয়ার তেমন সম্ভাবনা নেই বলে গত মাসের শেষদিকে জানিয়েছিল বিসিসিআই। তাই আইপিএলের ভবিষ্যৎত বহুদিন ধরেই ঢাকা রয়েছে অনিশ্চয়তার কালো চাদরে।

অক্টোবরে টি-২০ বিশ্বকাপের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আয়োজন করার যে পথ খোলা ছিল তাও সম্ভব বলে মনে করেন না শামি। স্পোর্টস তাক’কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে শামি বলেছেন, ‘ইরফান ভাই’য়ের সঙ্গেও আমার আইপিএল আয়োজন কতটা সম্ভব সে বিষয়ে কথা হচ্ছিল। আমার মনে হয় না চলতি বছর আইপিএল আয়োজন করা যাবে। আমাদের টি-২০ বিশ্বকাপও পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সবকিছু স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। আমাদের সবকিছু রিশিডিউল করতে হবে। কীভাবে সবকিছু সাজানো যায় দেখতে হবে। তাই আমার মনে হয় আইপিএল আয়োজন সম্ভব নয়।’

তবে আশার কথাও শুনিয়েছেন বঙ্গ পেসার। তাঁর কথায়, লকডাউন যদি তাড়াতাড়ি শেষ হয়, তাহলে বছরের শেষে আইপিএল অনুষ্ঠিত হওয়ার একটা সুযোগ রয়েছে। শামির কথায়, টি-২০ বিশ্বকাপের আগে এটা আয়োজন করা সম্ভব হলে ভীষণ ভালো হতো। ক্রিকেটাররা তাহলে ফর্ম্যাটের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে ছন্দে ফিরতে পারত। যা পরিস্থিতি তাতে করোনা পরবর্তী সময় প্রতিযোগীতামূলক ক্রিকেটে ফেরার আগে ক্রিকেটারদের ছন্দে ফিরতে একমাস সময় লাগবে বলে মনে করেন বঙ্গ পেসার।

উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে জাতীয় দলের সতীর্থ রোহিত শর্মার সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে লাইভ চ্যাট সেশনে এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিলেন জাতীয় দলে পেস অ্যাটাকের অন্যতম ভরসা। জীবনে একাধিকবার এমন সময় এসেছে যখন নাকি সমস্ত লড়াই থেকে নিজেকে সরিয়ে জীবন থেকে ছুটি নিতে চেয়েছিলেন তিনি। জীবনে তিন-তিনবার আত্মঘাতী হতে চেয়েছিলেন। সম্প্রতি রোহিতকে এমনটাই জানিয়েছেন শামি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I