কলকাতা : রাজ্যে ২০০ আসন নিয়ে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি। তাই দলের নির্দেশে শান্তিপুর ও দিনহাটা বিধানসভার বিজেপি-র নব নির্বাচিত বিধায়ক জগন্নাথ সরকার ও নিশীথ প্রামাণিক বিধায়ক পদে ইস্তফা দিলেন। তাঁরা সাংসদ পদেই থেকে গেলেন। দলের নির্দেশেই তাঁরা বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন নিশীথ প্রামাণিক। তিনি বলেছেন, “এক জন দুটো পদে থাকতে পারেন না। তাই আমরা দলের নির্দেশে বিধায়ক পদে ইস্তফা দিচ্ছি।” তবে বিজেপি-র অন্দরে এই ঘটনার পিছনে অন্য রাজনীতি কাজ করছে। কেন বিধানসভা নির্বাচনে সাংসদদের প্রার্থী করা হয়েছিল,. কেনই বা এই সাংসদদের বিধায়ক পদে জয়ের পর ইস্তফা দেওয়ার কথা দল বলছে সেটা যথেষ্ট রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। তবে দলের অন্দরের সিদ্ধান্তের কথার অভ্যাস পাওয়া গেছে জগন্নাথ সরকারের কথায়। বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছে দুজন বিধায়কের চাইতে দলের কাছে দুজন সাংসদের প্রয়োজনীয়তা দলের কাছে এই মুহূর্তে অনেক বেশি।

এই প্রসঙ্গে জগন্নাথ সরকারের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম রাজ্যে সরকার গঠন করতে পারব। তাই সরকার পরিচালনার জন্য অভিজ্ঞ মানুষের প্রয়োজন হবে মনে করেই আমার মতো বেশ কিছু সাংসদকে বিধানসভায় প্রার্থী করা হয়েছিল। তবে আমাদের সেই আশা পূর্ণ হয়নি। আমরা ক্ষমতায় আসতে পারিনি। তাই দল এখন আমাদের বলেছে বিধায়ক পদে ইস্তফা দিতে।”

এদিকে বিজেপি-র অন্দরের খবর এখন জগন্নাথ সরকার রানাঘাট থেকে ও নিশীথ প্রামাণিক যদি কোচবিহারের সাংসদ পদে ইস্তফা দেন তাহলে
এই দুই লোকসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন হবে। এই মুহূর্তে রাজ্যে প্রবল বিজেপি বিরোধী হাওয়া চলছে। তাই এই অবস্থায় রানাঘাট ও কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে আবার নির্বাচন হলে বিজেপি-র জয়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ। সেটা বুঝেই দুটো বিধায়ক পদের জন্য দুটো সাংসদ পদ হারাতে চাইছে না বিজেপি। কেননা এর ফলে লোকসভায় তৃণমূলের দুটো সাংসদ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনা আটকাতেই বিজেপি কিছুটা কৌশলী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.