স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: ‘মানিকচকে আমিই প্রার্থী’৷ দলের আগেই নিজেই নিজের নাম ঘোষণা করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা ব্লক তৃণমূল সভাপতি সাবিত্রী মিত্র৷ এবিষয়ে এখনও মুখ খোলেনি তৃণমূল নেতৃত্ব।

২০১১ সাল।  রাজ্যে পালা বদল হলেও কংগ্রেসের গড় মালদহে নজর কাড়তে পারেনি তৃণমূল। ওই বছর জেলায় তৃণমূলের টিকিটে একমাত্র জয়ী হয়েছিলেন সাবিত্রী মিত্র। তিনি মানিকচক বিধানসভা থেকে জয়ী হয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়েছিল সাবিত্রীর। সেই সময় তৃণমূলের জেলা সভাপতিও ছিলেন তিনি। তবে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মালদহের দু’টি আসনেই ভরাডুবি ঘটে তৃণমূলের। সাবিত্রীকে সরিয়ে দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মোয়াজ্জেম হোসেনকে। সেই সময় থেকেই জেলার রাজনীতিতে কোণঠাসা হয়ে যান সাবিত্রী।

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মানিকচক থেকে ফের প্রার্থী হন সাবিত্রী মিত্র। যদিও প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার ভোটে হেরে গিয়েছিলেন তিনি। তার পরে দলের জেলা কমিটি থেকেও বাদ দেওয়া হয় তাঁকে। তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ব্লক কমিটিতে। তারপর থেকেই দলের কর্মসূচিতে যাওয়া কমিয়ে দিয়েছিলেন সাবিত্রী। এ বারের লোকসভা নির্বাচনেও জেলায় বিজেপি প্রার্থী জেতে।

তবে কিছুদিন ধরেই দলে বেশ সক্রিয় সাবিত্রী মিত্র। ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি সফল করতে তাঁকে মানিকচকের ময়দানে নামতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু এবার মানিকচকে তিনি প্রার্থী হবেন কিনা, সেটা দলের তরফ থেকে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। তার আগেই সাবিত্রী নিজে নিজের নাম মানিকচক কেন্দ্রে ঘোষণা করলেন।

উল্লেখ্য, মালদহে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জেরবার তৃণমূল। কিছুদিন আগেই জেলা সফরে গিয়ে দলের নেতাদের একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মালদহ জেলা তৃণমূল সভাপতি মৌসম বেনজির নূর, জেলা তৃণমূল চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী, প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র, দলের বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন, জেলার একাধিক কোঅর্ডিনেটর, যুব,ও মহিলা শাখার জেলা সভাপতিদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মমতা। ওই সফরে ইংরেজ বাজারের ডিএসএ স্টেডিয়াম সংলগ্ন ময়দানে সভা করেন তৃণমূল নেত্রী। সেখানে আক্ষেপের সুরে বলেছিলেন, আমি মালদহের জন্য অনেক করেছি। কিন্তু একটাও আসন পাইনি, একটা সিটে কংগ্রেস জিতেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।