স্ত্রী সারা আব্দুল্লার সঙ্গে সচিন পাইলট

গত কয়েকদিন ধরে জাতীয় রাজনীতিতে সবথেকে আলোচিত নাম সচিন পাইলট। ইতিমধ্যেই রাজস্থানের উপ মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। বিজেপিও তাঁর ও তাঁর সমর্থকদের উপর নজর রাখছিল।

কিন্তু সব জল্পনা উড়িয়ে সচিন পাইলট সাফ জানিয়ে দিলেন তিনি আপাতত বিজেপিতে যাচ্ছেন না। আগামিদিনে কী করবেন, তা এখনও ঠিক করেননি। তবে রাজস্থানের মানুষের জন্য কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন সচিন পাইলট।

মঙ্গলবারই রাজস্থানের উপ মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরানো হল সচিন পাইলটকে। মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট তাঁকে উপ মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরানোর নির্দেশ দেন। দলের তরফে এই তথ্য জানিয়েছেন কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা। শুধু উপ মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকেই নয়, রাজস্থান প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি পদ থেকেও সরানো হয়েছে কংগ্রেসের এই যুব নেতাকে।

সরকারে সংকট নেমে আসতই তড়িঘড়ি তা সামাল দিতে দেরি করেননি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তথা রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। সোমবারই তিনি দলের ১০৭ বিধায়কের মধ্যে ১০০ জনের সমর্থন আদায় করে নিয়েছিলেন। গেহলটের বাড়িতে ডাকা বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন কংগ্রেস বিধায়করা। প্রত্যেকেই মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের নেতৃত্বে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

যদিও সচিন পাইলটের মান ভাঙাতেও তৎপরতা চালিয়ে গিয়েছিল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র জানান, অসন্তোষ থাকলে দলেই তা আলোচনা করে মিটিয়ে নিতে পারেন সচিন। বিদ্রোহী সব বিধায়ককেই এই একই পরামর্শ দিয়েছিলেন সুরজেওয়ালা। যদিও তারপরেও অবস্থানে অনড় ছিলেন সচিন পাইলট। সোমবার তাঁকে ডাকা হলেও গেহলটের বাড়িতে দলের উচ্চ পর্যায়ের সেই বৈঠকে যাননি সচিন।

বিস্তারিত আসছে…

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ