লখনউ: নিজের বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য বারবারই খেসারত দিতে হয়েছে সমাজবাদী পার্টি নেতা আজম খানকে৷ তিন দিনের জন্য তাঁকে নির্বাচনী প্রচারের জন্য ব্যান করে নির্বাচন কমিশন৷ সেই সূত্র ধরেই এবার নয়া বিতর্কে এই নেতা৷ এমনকী নিজের সম্পর্কে বলতে গিয়ে রীতিমত কেঁদে ফেললেন আজম খান৷

তাঁর দাবি নির্বাচনী প্রচার করতে তাঁকে বারণ করা হয়েছে৷ নির্বাচন কমিশনের সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান করেন তিনি৷ কিন্তু তার পরেও তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছে প্রশাসন৷ এমন ভাবে তাঁর সাথে ব্যবহার করা হচ্ছে, যেন তিনি বিশ্বের কুখ্যাত কোনও জঙ্গি৷

আরও পড়ুন: দেশের বাইরে থেকে লোক এনে প্রচার করছে তৃণমূল : মোদী

শুক্রবার রামপুরে একটি নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই মন্তব্য আজম খানের৷ উল্লেখ্য ১৫ই এপ্রিল এক বিতর্ক তৈরি করায় তাঁকে তিন দিনের জন্য নির্বাচনী প্রচার থেকে বিরত থাকতে বলে কমিশন৷ তবে সেই নিষেধাজ্ঞা কাটার পরেও, তাঁর আচরণে যে বিশেষ প্রভাব পড়েনি, তা বলাই বাহুল্য৷

এর আগে, আজম খান বিজেপি নেত্রী জয়াপ্রদাকে নাচনেওয়ালি এবং তারপরে খাকি অন্তর্বাস, একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্যে রাজনীতির ময়দানে ঝড় তোলেন৷ পরে দিন কয়েক আগেই এক সাংবাদিককে উত্তর দিতে গিয়ে বিতর্কের রেশ ধরে রাখেন তিনি৷

আরও পড়ুন : জঙ্গি হামলার দুঃস্বপ্নকে রুকস্যাকে বেঁধে এভারেস্টের পথে বাঙালি মেয়ে

আজম খানের করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়৷ তিনি মন্তব্য করেছিলেন দেশের মুসলিমদের সঙ্গে ভাড়াটিয়ার মতো আচরণ করা হয়৷ রমজান মাসে ভোট হওয়া নিয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া চাওয়া হলে এই মন্তব্য করেন বিতর্কিত সপা নেতা৷

সংবাদসংস্থা এএনআইকে আজম খান বলেন, একটা সময় আরএসএস বলত তারা মুসলিমদের সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন বানিয়ে ছাড়ব৷ কিন্তু এখন বলতেই হচ্ছে দেশে মুসলিমদের অবস্থা ভাড়াটিয়ার মতো৷ রমজান মাসে ভোট হওয়া প্রসঙ্গে সপা নেতা জানান, ভোটের দিন ঘোষণার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়৷ কিন্তু দিন ঘোষণার আগে নির্বাচন কমিশন নিশ্চয়ই বিষয়টি জানত৷