চেন্নাই: দেশে ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পাশাপাশি সামনে আসছে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও। ইতিমধ্যে প্রশাসনের তরফ থেকে একাধিক রাজ্যতে জারি করা হয়েছে লকডাউন। পাশাপাশি বন্ধ রাখা হয়েছে আন্তঃরাজ্য পরিবহণ ব্যবস্থাও। তারই মাঝে দেশের অন্যতম বৃহত্তম গাড়ি উৎপাদন কোম্পানি হুণ্ডাই এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে কোভিড ১৯ ভাইরাসের কারণে বন্ধ রাখা হবে চেন্নাইয়ের কারখানা। আর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে ২৩ মার্চ থেকেই।

কোম্পানির তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাসের প্রকোপে গোটা বিশ্ব। আক্রান্ত হয়েছে এই দেশও। প্রায় প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। আর তাই এই পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাতে এই সংক্রমণ কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে না পারে। কোম্পানির তরফে এও জানানো হয়েছে আগামী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে।

এছাড়াও অন্যতম জনপ্রিয় কোম্পানি মারুতি সুজুকী হরিয়ানার দুটি কারখানাতে উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাতে কোনভাবে এই ভাইরাসে তাদের কর্মীরা আক্রান্ত হতে না পারে পাশাপাশি যাতে দূরত্ব রাখাও সম্ভবপর হয় সেই কারণে কোম্পানির তরফ থেকে এই সাময়িক কাজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একাধিক কোম্পানি দেশের এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে কাজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাতে কোনভাবেই এই ভাইরাসের আক্রমণে কর্মীরা সংক্রমিত না হতে পারেন। এছাড়াও যাতে দূরত্ব রাখা যায়। একাধিক সংস্থা এই কারণে কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে। তবে এই সকল কোম্পানিতে আবার স্বাভাবিক অবস্থা কবে থেকে ফিরবে তা এখনো জানা যায়নি।

দুচাকার গাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে হিরো মোটোকর্প ক্রেতাদের কাছে যথেষ্ট জনপ্রিয়। তারাও কর্মীদের নিরাপত্তার কারণে দেশ জুড়ে সকল কারখানাতে কাজ বন্ধের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়াও কলম্বিয়া ও বাংলাদেশেও বন্ধ রাখা হয়েছে উৎপাদন।

মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়াতে ইতিমধ্যে জারি করা হয়েছে একাধিক মল, সিনেমা হল বন্ধের নোটিস। এছাড়া যাতে সংক্রমণের হার বারতে না পারে সেদিকেও কড়া নজর রাখা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে সেখানকার কারখানাও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।