হায়দরাবাদ: আসামীর মতো কোমরে দড়ি পড়িয়ে আটক করা হল বিক্ষোভকারী এএসএফআই সমর্থককে। সেই সঙ্গে ব্যাপক ধরপাকড় ধস্তাধস্তিতে জড়াল পুলিশ।

কলকাতায় বাম সংগঠনের নবান্ন অভিযানে পুলিশের লাঠি চালনায় ও মিছিল থেকে হামলার অভিযোগ রয়েছে। ২২ জন বামপন্থী কর্মীকে গ্রেফতারের পর জেলে পাঠানো হয়। জামিন পেয়েছেন তারা।

এই ঘটনার জেরে বিভিন্ন রাজ্যে এএসএফআই ও অন্যান্য বাম সংগঠনগুলি তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সামিল। তেমনই প্রতিবাদ চলাকালীন টিআরএস পরিচালিত রাজ্যে কোমরে দড়ি বেঁধে আটক করা হল বাম ছাত্রীকে। ফেসবুকে এই ছবি ভাইরাল হতে শুরু করেছে।

এছাড়াও আরও কয়েকজনকে টেনে হিঁচড়ে নেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে দক্ষিণের এই রাজ্যটিতে। সূত্রের খবর- অন্তত ১০০ জন এএসএফআই সমর্থক। এদের মধ্যে ৩০ জন ছাত্রী

অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের নির্দেশে এমন করেছে পুলিশ। এদিকে বাম ছাত্রীদের উপর হামলার ঘটনায় রাজ্যের অন্যান্য় এলাকায় ছড়িয়েছে উত্তেজনা।

বিশেষ করে হায়দরবাদের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে। বারবারে এই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র সংসদ দখল করে এএসএফআই। চলতি সপ্তাহে শিল্প কাজের দাবি নিয়ে এসএফআই-ডিওয়াইএফআই সহ ১২টি বাম সংগঠনের ডাকা সিঙ্গুর থেকে নবান্ন অভিযানে পুলিশের ভূমিকার প্রতিবাদ হচ্ছে। এতে সামিল হিমাচল প্রদেশ, দিল্লি, পুদুচেরি, কেরল, ত্রিপুরা, রাজস্থান।

তেলেঙ্গানায় তেমনই প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশের ঝাঁপিয়ে পড়ায় নেট দুনিয়ায় ঝড় উঠেছে। প্রশ্নের মুখে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও। কেন অপরাধী আসামীর মতো কোমরে দড়ি পড়িয়ে বাম মহিলা সমর্থক কে আটক করা হল উঠছে এই প্রশ্ন। এই রাজ্য়ের ক্ষমতা রয়েছে টিআরএস- তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি।