স্টাফ রিপোর্টার,মালদহ: স্ত্রী’র ঘরে স্বামীর রক্তাত্ব গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার। সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচোল থানার চাঁচোল ২ নম্বর ব্লকের মালতীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবিন্দ পাড়ায়।

ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় চাঁচল থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনায় মৃত ব্যক্তির তৃতীয় পক্ষের স্ত্রী আসমা বিবিকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়ে ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সোনুয়া শেখ (৫০)। পেশায় গাড়ি ব্যবসায়ী। তার তিনটি বিয়ে। পাশাপাশি তিন স্ত্রীর বাড়ি রয়েছে। সম্প্রতি তৃতীয় পক্ষের স্ত্রীর কাছে থাকতেন সোনুয়ি। তৃতীয় পক্ষের স্ত্রীর বাড়িতেই ঘটনাটি ঘটে। আরও জানা গিয়েছে, গোবিন্দপাড়ার বাসিন্দা সোনুয়া শেখ সোমবা রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পরে বাড়ির ভিতর থেকে চিৎকারের শব্দ শুনে গ্রামবাসী ও দুই স্ত্রী ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে দেখতে পায় সোনুয়া গলাকাটা অবস্থায় পরে রয়েছে। গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনা খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

মৃত সোনুয়া শেখের প্রথম পক্ষের স্ত্রী ও তার ছেলেদের অভিযোগ, তার যা জায়গা সম্পত্তি ছিল তা লিখে দেওয়ার জন্য আসমা বিবি ও তার ছেলেরা চাপ দিচ্ছিল। এই নিয়ে একটা পারিবারিক বিবাদ চলছিল। জায়গা জমি ও অর্থের লোভে তৃতীয় পক্ষের স্ত্রী আসমা বিবি তাকে পরিকল্পনা মাফিক ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছেন। এখন সে নাটক করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

যদিও আসমা বিবির বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ তিনি পুরোপুরি মিথ্যে বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, “আমার স্বামীকে খুন করেছে আমার স্বামীর দুই ভাইপো লিটন ও হেলাল। তারাই স্বামীকে ঘরে বেঁধে মারধর করছিলেন। সেই খবর দিতে যাই তাদের। এসে দেখি মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।”

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর তদন্তে নেমে পুলিশ আসমা বিবিকে আটক করেছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চাঁচল থানার পুলিশ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ