প্রতীকী ছবি

গুয়াহাটি: পাঞ্জাবাড়ি দেহব্যবসা মামলায় গ্রেফতার করল এক দম্পতিকে৷ মৃগেন নাথ এবং তার স্ত্রী মামণি নাথের বিরুদ্ধে ১৩ বছরের এক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নাবালিকাকে জোর করে দেহব্যবসায় নামানোর অভিযোগ রয়েছে৷ ওই দম্পতিকে শহরের প্রগতি নগর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ সেই সহ্গে বহু আপত্তিকর জিনিসপত্রও উদ্ধার হয়৷

২০১৯-এর ১২ জুন,সাতগাঁও পুলিশ এই মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে৷ বিভিন্ন ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়৷ আর এবার ওই ঘটনায় জড়িত থাকায় এই স্বামী-স্ত্রীর নাম প্রকাশ্যে এল৷

পুণেতে এমনই একটি দেহব্যবসার পর্দাফাঁস করে পাঁচ ব্যক্তিকে হাতেনাতে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে জানা যায়৷ তাদের বৃহস্পতিবার স্থানীয় আদালতে তোলা হয়৷ উদ্ধার করা হয় চার মহিলাকে৷ জানা যায়, পুণের মারুঞ্জিতে এই অভিযান চালিয়েছিল হিনজেওয়াড়ি পুলিশ৷ কোলটে পাতিল এস্টেট এলাকায় এই দেহব্যবসার খবর পুলিশ পায়৷ এরপরেই তারা অভিযান চালিয়ে এই কাণ্ডের মূল চাঁই ৩৪ বছরের বলিরাম সাভারগাঁওকরকে গ্রেফতার করে৷ সে কোঠরুড়েরই বাসিন্দা৷

অন্যান্যরা হল নিতিন ভালেরাও, অভয় শিন্ডে, ময়ূর শর্মা, দিলিপ মন্ডল৷ উদ্ধার হওয়া মহিলাদের মধ্যে অনেকে যেমন মডেল ছিল আবার অনেকে পড়ুয়াও৷ তারা সকলেই দিল্লির বাসিন্দা৷ তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে জোর করে দেহব্যবসার কাজে নামানো হয়েছিল বলে জানা যায়৷

এরও আগে, গত গত ১ জুন পুণতে মধুচক্রে জড়িত থাকায় ৫ মহিলাকে গ্রেফতার করে কোরেগাঁও পুলিশ৷ জানা যায়, কোরেগাঁও পার্কে ওয়েসিস সালোঁ এবং স্পা ম্যাসাজ সেন্টারের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরেই এই কাজ চলছিল৷ সেখানেই হানা দেয় পুলিশ৷ উদ্ধার হওয়া ৩ মহিলাকে হদসপুরে পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়৷