ভোপাল: মধ্যপ্রদেশের বিদিশা জেলায় ভয়ংকর ঘটনা। ফের সাইবার ক্রাইমের শিকার এক মহিলা। তবে এক্ষেত্রে অভিযুক্ত খোদ তাঁর স্বামী। জানা গিয়েছে মাধব মহারাজ নাম নিয়ে এক মহিলাকে বিয়ে করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। যদিও রিপোর্ট বলছে আগে থেকেই বিবাহিত ছিল সে।তাঁর নামটিও ভুয়ো বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

বিয়ের পরেই নিজের স্বরূপ দেখায় ওই যুবক। নিজের স্ত্রী’র নানান অশ্লীল ভিডিও তুলে তা ছাড়তে শুরু করে অনলাইনে। যুবতির অভিযোগ অভিযুক্ত তাঁকে প্রথমে শারীরিকভাবে শোষণ করে ও পড়ে তাঁর অশ্লীল ভিডিও তুলে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়।

অভিযোগকারিণী প্রথমে এই ঘটনার বিন্দু বিসর্গও বোঝেননি। কিন্তু পরে এই প্রতারণার কথা জানতে পেরে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনা জেলায় প্রথম। নিরপেক্ষ ভাবে তদন্তের পড়ে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

সিএসপি বিকাশ পান্ডে জানিয়েছেন, আগ্নারাম কলোনির বাসিন্দা চন্দ্রজিৎ অহিরওয়ার ও মাধবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরাই মূল অভিযুক্ত। এরা দুজনেই বিবাহিত। জানা গিয়েছে অভিযুক্ত যুবক ওই অশ্লীল ভিডিও অনলাইনে ছেড়ে টাকা আয় করত। মোটা টাকা লোভের এই ধরনের অপরাধমূলক কাজ করে সে।

আইটি আইন ছাড়াও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ সহ বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, কদিন আগেই দিল্লি থেকে এসেছিল প্রায় একই ধরনের আর একটি ঘটনা। সেখানে এক যুবতিকে কাজ দেওয়ার নাম করে যুবতিকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। অভিযুক্ত প্রবীণ নামে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। সেখানে তিনি নাচ-গানের জন্য গিয়েছিলেন। নির্যাতিতার দাবি, এরপর ৬ অক্টোবর অভিযুক্ত তাঁকে একটি হোটেলে ডেকে পাঠায় এবং সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

যুবতির দাবি, এরপর থেকে অভিযুক্ত তাঁকে ফোন করে প্রায়ই ওই হোটেলে আসতে চাপ দিচ্ছে, নাহলে ধর্ষণের অশ্লীল ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এরপরেই পুলিশের দ্বারস্থ হন অভিযুক্ত।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।