নিউ ইয়র্ক: সম্প্রতি ধেয়ে এসেছিল এক ভয়াবহ ঝড়। বাহামাসের দিকে যেন গিলে খেতে এসেছিল ডোরিয়ান। আটলান্টিক মহাসাগরের সেই হারিকেন ঘুম উড়িয়েছিল মার্কিন মুলুকেও। এবার প্রকাশ্যে এল সেই ঝড়ের ছবি। প্রথম বার আছড়ে পড়ার সময় সেই ঝড়ের গতিবেগ ছিল অন্তত ২২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা, সবকিছু তছনছ করে দিতে যা যথেষ্ট। ইতিমধ্যে অনেকের মৃত্যুও হয়েছে সেই ঝড়ে।

ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে সেই ঝড় কেমন দেখতে লাগছিল, সেই ছবি প্রকাশ করা হয়েছে বুধবার। নাসার অ্যাস্ট্রনট ক্রিশ্চিয়ামা এইচ কোচ যিনি বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে রয়েছেন, তিনি ওই ছবি ট্যুইট করেছেন। নিক হগ নামে আর এক অ্যাস্ট্রোনট লিখেছেন, ‘যদি মহাশূন্য থেকে ওই ঝড়ের চোখের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকা যায়, তাহলে বোঝা যাবে তার চেহারা কতটা ভয়ঙ্কর।’

ক্যাটাগরি ৫ থেকে সক্তি কমে অবশেষে ক্যাটাগরি ২ -এর আকার নিয়েছে এই হারিকেন।

ডোরিয়ান নামের ওই ঘূর্ণিঝড় এতটাই ভয়াবহ যে তাকে ‘ক্যাটাগরি ৫’-এ ফেলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। এর আকার যে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে সে ব্যাপারে সতর্ক করেছিলেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আটলান্টিক সাগর থেকে সেই ঘূর্ণিঝড় ডোরিয়ান ৪ মাত্রার শক্তি অর্জন করে। পরে সেটি ৫ মাত্রায় পৌঁছেছে বলে জানা যায়। ঘূর্ণিঝড়ের খবর জানিয়েছে আমেরিকার ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার বা এনএইচসি। তথ্য বলছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২২০ কিলোমিটার গতি নিয়ে ঝড়টি বাহামা দ্বীপপুঞ্জের দিকে অগ্রসর হয়।

এর আগে ১৯৯২ সালে আমেরিকার দক্ষিণপূর্বে আছড়ে পড়া ৫ মাত্রার ঘূর্ণিঝড় অ্যান্ড্রুতে নিহত হয় ৬৫ জন। ধ্বংস হয়ে যায় প্রায় ৬৩ হাজার বাড়িঘর। অ্যান্ড্রুর পর ডোরিয়ানই ফ্লোরিডায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড় হতে পারে বলে শঙ্কা আবহাওয়াবিদদের।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আটলান্টিক সাগর তীরবর্তী অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। এলাকার বাসিন্দাদের কাছে এক সপ্তাহের খাদ্য, পানীয় ও ওষুধ মজুদ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও