নয়াদিল্লি : কেউ রেল লাইনে, কেউ সড়ক ধরে হেঁটে চলেছেন মাইলের পর মাইল। গন্তব্য একটাই নিরাপদ আশ্রয় নিজেদের বাড়ি। এক চিলতে হলেও দুবেলা খাবার তো জুটবে, এই আশায় হেঁটে চলা। হাঁটার মাঝেই শেষ হয়ে যাচ্ছে জীবনের পথ। রেললাইনে ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়ছেন কেউ কেউ, ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে ট্রেন। আবার কোথাও পথদুর্ঘটনায় একাধিক শ্রমিকের মৃত্যু হচ্ছে।

এবার প্রাণ হাতে করে নদী পেরোনোর ছবি দেখল দেশ। গ্রীষ্মকালে হাঁটু জল থাকলেও রাতের অন্ধকারে নদী পেরোনো প্রাণ হাতে নিয়ে কাজেরই সামিল। মাথায় সম্বলটুকু নিয়ে বিহারের উদ্দেশ্যে যমুনা পেরোলেন তাঁরা। উত্তর প্রদেশ হরিয়ানা সীমান্ত এলাকার যমুনা নদী পেরিয়ে বাড়ি ফিরছেন ওই শ্রমিকরা।

মূলত যমুনা নদী পেরিয়ে হরিয়ানার যমুনানগর হয়ে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর পৌঁছতে চাইছিলেন তাঁরা। সেখান থেকে কোনওভাবে বিহার পৌঁছনো উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালু করেছে কেন্দ্র। কিন্তু বেশিরভাগ শ্রমিকই সেখানে জায়গা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। ফলে বেশিরভাগ পরিযায়ী শ্রমিককেই হেঁটে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে হাজারের বেশি শ্রমিক যমুনা পেরিয়ে বাড়ি ফেরার পথ ধরেছেন বলে খবর।

পরিযায়ী শ্রমিকরা জানাচ্ছেন, তঁদের কাছে কোনও টাকা নেই। রাস্তা দিয়ে হাঁটতে দিচ্ছে না পুলিশ। ফলে নদী পেরোতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। নদীর ধারে কোনও পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি। ফলে সহজেই নদী পেরিয়ে যেতে পারছেন এখনও। খাবার নেই, অর্থ নেই। অসহায় অবস্থায় বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা।

এদিকে, করোনা মহামারীর প্রকোপ উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে ভারতে। শুক্রবারও ফের একধাক্কায় অনেকটাই বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা। একদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৬,৬৫৪ জন। ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার ১০১। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩,৭২০।

মুম্বইতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে নমুনা সংগ্রহের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রেজাল্ট জানানো হয়। সমস্ত বেসরকারি ল্যাবরেটরিগুলিকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছ। গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে মোট ১.১৫ লক্ষ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
রাজস্থানে ফের নতুন করে বেড়েছে সংক্রমণ। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৪৮ জন। নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। রাজস্থানে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬,৫৪২। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২,৬৯৫।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I