স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা: রবিবার দিনভর শহরকে ভোগাবে সূর্যের তাপ এবং ঘাম। সর্বনিম্ন সর্বোচ্চে ফারাক খুব কম। রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৯৪ শতাংশ , সর্বনিম্ন ৭৪ শতাংশ। আবহবিদরা জানাচ্ছেন যে ২৯ – ৩২ অর্থাৎ সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্নের ফারাক মাত্র তিন ডিগ্রি। এটাই যথারীতি আজও ভোগাবে কলকাতাবাসীকে। সঙ্গত দেবে টানা ৯০-এর উপর থাকা আর্দ্রতা।

সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কম হলেও অস্বস্তিকর করে ছাড়ছে বেড়ে থাকা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এবং অতিরিক্ত আর্দ্রতা। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে উত্তরবঙ্গের কিছু অংশে ঢুকতে পারে বর্ষা। অবশেষে বর্ষার পথ খুলেছে। বেশ কিছু দিন উত্তরপূর্ব ভারতের দোরগোড়ায় থমকে থাকার পর আবার সে এগোনোর ইঙ্গিত দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে উত্তরবঙ্গের কিছু অংশে ঢুকে পড়বে বর্ষা। এবার পাটীগণিতের ঐকিক নিয়মের নিয়ম অনুযায়ী অঙ্ক কষলে দক্ষিণবঙ্গে তা প্রবেশ করার কথা ২১ জুন, অর্থাৎ আগামী সপ্তাহে শুক্রবার নাগাদ দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে মৌসুমি বায়ু আসতে পারে। তার জেরে মিলতে পারে বৃষ্টি। এবার প্রবেশ করলেই তো হল না। সেটা কতটা শক্তিশালী সেটাও দক্ষিণবঙ্গের বর্ষার বৃষ্টির উপর নির্ভর করছে।

কিভাবে খুলছে বর্ষার পথ ? আবহবিদরা জানাচ্ছেন , উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপের সৃষ্টি হতে পারে। সেই নিম্নচাপের জন্যই আবার পূর্ব এবং উত্তর-পূর্বে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে বর্ষা। আপাতত সেই নিম্নচাপের দিকেই তাকিয়ে গোটা পূর্ব ভারত।

উত্তরবঙ্গে বর্ষা আসে সাধারণত ৫ জুন এবং দক্ষিণবঙ্গে ৮ জুন। কিন্তু এ বার ১৫ জুনেও বর্ষার দেখা মিলছে না। বর্ষা না আসার ফলে এক দিকে যেমন চড়চড় করে বাড়ছে পারদ, তেমনই ছড়ি ঘোরাচ্ছে অতিরিক্ত আর্দ্রতা। দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেক বেশি অসহনীয়।