নয়াদিল্লিঃ আগামী মাসের ১৩ তারিখ কলম্বোর আর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে (R Premdasa Stadium) শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে ভারতীয় দল। তবে দ্বীপরাষ্ট্রে বিরাট কোহলি(Virat Kohli) কিংবা জসপ্রীত বুমরাহকে(Jasprit Bumrah) খেলতে দেখা যাবে না। তাঁরা সেই সময় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন। শ্রীলঙ্কায় খেলবে ভারতের ‘বি’ দল। শিখর ধাওয়ান(Shikhar Dhawan) সেদেশে ‘মেন ইন ব্লু’র নেতৃত্ব দেবেন। তাঁর ডেপুটির ভূমিকা পালন করবেন ভুবনেশ্বর কুমার(Bhuvneshwar Kumar)। গতকালই শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য ২০ সদস্যের ভারতীয় দল ঘোষিত হয়েছে। আর অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পেয়ে তিনি কৃতজ্ঞ, একথা লিখে আজ ছবি শেয়ার করলেন ধাওয়ান।

অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পাওয়ার পর ইন্সটাগ্রামে দেশের জার্সি গায়ে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে তাঁর ক্যাপশনে ধাওয়ান লেখেন, ‘দেশের অধিনায়কত্বের এই দায়িত্ব পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। আপনাদের সকল শুভেচ্ছাবার্তার জন্য ধন্যবাদ’। ধাওয়ানের পোস্ট করা এই ছবিটি লাইক করে তাঁর আইপিএল(IPL) ফ্র্যাঞ্চাইজি দিল্লি ক্যাপিটালস(Delhi Capitals) কমেন্ট বক্সে লিখেছে, ‘এগিয়ে যাও গব্বর। আমরা সবাই তোমার পিছনে আছি’।

ধাওয়ানের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল ২০১০ সালে। এখনও পর্যন্ত দেশের জার্সি গায়ে ৩৪টি টেস্ট, ১৪২টি একদিনের ম্যাচ এবং ৬৫টি টি-২০ ম্যাচ তিনি খেলেছেন। গব্বর ২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ভারতের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। আসন্ন শ্রীলঙ্কা সফরে বিরাট কোহলি(Virat Kohli) এবং রোহিত শর্মার(Rohit Sharma) অনুপস্থিতিতে ভারতীয় দলের অধিনায়কের দৌড়ে গব্বর ছাড়াও হার্দিক পান্ডিয়ার(Hardik Pandya) নামও উঠে এসেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ ধাওয়ানকেই বেছে নেন নির্বাচকরা।

শ্রীলঙ্কা সফরে ধাওয়ানের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল তিনটি একদিনের ম্যাচ এবং তিনটি টি-২০ ম্যাচ খেলবে। সবকটি ম্যাচ খেলা হবে কলম্বোর আর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে(R Premdasa Stadium)। তিনটি একদিনের ম্যাচ যথাক্রমে ১৩ জুলাই, ১৬ জুলাই এবং ১৮ জুলাই খেলা হবে। এরপর ২১ জুলাই থেকে শুরু হবে টি-২০ সিরিজ। ২১ এবং ২৩ জুলাইয়ের পর প্রথম দুটি ম্যাচের ওপর, ২৫ জুলাই সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলে দেশে ফিরে আসবে ভারতীয় দল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.