ঢাকা:  বৈশাখী উৎসবের আগেই প্রতিবাদে মুখর বাংলাদেশ৷ মৌলবীর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনার পর যেভাবে মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাতকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছেন সাধারণ জনগণ৷ রাস্তায় রাস্তায় চলছে মানব বন্ধন৷ বাংলা নববর্ষের ঠিক আগেই এ এক অন্য বাংলাদেশ৷ গোটা ঘটনায় অভিযোগের তির যার দিকে সেই মাদ্রাসা অধ্যক্ষ আদতে জামাত ইসলামি সংগঠক৷ তবে তার সঙ্গে শাসক আওয়ামী লীগের কিছু নেতার যোগসাজশে বিতর্ক আরও ছড়াচ্ছে৷

এদিকে তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর এই খুনের মামলায় পুলিশের হাতে এসেছে বেশি কিছু সূত্র৷ নুসরাতকে পুড়িয়ে খুনের ঘটনায় ধৃতদের বয়ানের ভিত্তিতে মিলছে সেই সূত্র৷ ফেনীর বাসিন্দা নুসরাত জাহান রাফীর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় শাহাদত হোসেন শামীম। সে ছাড়াও এই ঘটনায় জড়িত ছিলো আরও দুইজন ছাত্র ও দুই ছাত্রী। এদের মধ্যেই একজন মাদ্রাসার ক্লাস থেকে নুসরাতকে ছাদে ডেকে এনেছিল৷ সাংবাদিকদের এমনই জানান পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) উপ মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার।

ঘটনার দিন নুসরাত পরীক্ষা দিতে হলে প্রবেশ করলে একজন গিয়ে নিশাত নামে এক বান্ধবীকে মারার মিথ্যা তথ্য দিয়ে নুসরাতকে ছাদে নিয়ে আসা হয়। ছাদে আগে থেকেই অবস্থান করছিলো বোরখা পরা ওই চারজন। তারা বোরখা পড়েছিল৷ এরাই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজের নির্দেশে তারই সহযোগী নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে নুসরাতকে পুড়িয়ে দেয়৷