আগরতলা : দেশের মধ্যে এবার সর্ব প্রথম মানব দেহের স্ক্যানার মেশিন পেতে চলেছে ত্রিপুরার মহারাজা বীরবিক্রম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এছাড়াও এই বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য থাকছে সব রকমের আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ সুবিধা। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এবং কাজকর্ম সঠিক পথে এগোলে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের এপ্রিল মাস নাগাদ যাত্রীদের জন্য আরও বেশী নিরাপত্তা এবং বিমানবন্দরের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই মানব স্ক্যানার মেশিন চালু হয়ে যাবে বলে আশাবাদী এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার উত্তরপূর্ব শাখার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সঞ্জীব জিন্দল।

এমবিবি বিমানবন্দরের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সঞ্জীব জিন্দল আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে এই বিমানবন্দরের প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। আগামী বছর এপ্রিল মাসের মধ্যে এই বিমান বন্দরের বাকি অংশের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি আরও জানিয়েছেন যে, এই কাজ পুরোপুরি সম্পূর্ণ হয়ে যাবার পর শুরু করা যাবে এই নতুন পরিষেবা।

যার ফলে ‘এমবিবি’ বিমান বন্দর হবে ভারতের মোট ৮৪ টি বিমান বন্দরের মধ্যে অন্যতম প্রথম প্রধান মানব দেহ স্ক্যানার সুবিধা যুক্ত বিমান বন্দর। জিন্দল আরও জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে দেশের যে কয়টি বড় বড় বিমান বন্দর রয়েছে তার সব গুলিতেই এই সুবিধা নেই। যার ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিমানবন্দরে আগত যাত্রীদের সুরক্ষার্থে বিমান বন্দরের কর্মীরা তাঁদের পরীক্ষা করেন। যা অনেক সময় সাপেক্ষ এবং এই রকম ভাবে যাত্রীদের চেকিং করতে গিয়ে অনেক সময় সমস্যার মুখে পড়তে হয় বলে জানা গিয়েছে।

ব্যুরো অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন অফ সিকিউরিটির সার্কুলেশন অনুযায়ী আগামী ২০২০ সালের মার্চ মাসের মধ্যে দেশের ৮৪ টি বিমান বন্দরেই এই বডি স্ক্যানার মেশিন বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এয়ারপোর্ট অথরিটি গুলিকে। যদিও এই মুহূর্তে দেশের সব কটি বিমানবন্দরে যাত্রীদের পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহার করা হয় বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন মেটালের মেশিন গুলি। আরও জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশের ৮৪ টি বিমান বন্দরের মধ্যে অত্যাধিক সংবেদনশীল এবং উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন যন্ত্র ব্যবহার করা হয় দেশের প্রধান চারটি বড় মহানগর যেমন, দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতা এবং চেন্নাই। এছাড়াও রয়েছে, জন্মু ও কাশ্মীর এবং উত্তরপূর্ব ভারতের বেশ কয়েকটি বিমান বন্দর।