লন্ডন: গত কয়েকদিন ধরে বেশ মজায় ছিল লন্ডনবাসী। গরম কমে ধীরে ধীরে শরৎকে জায়গা দিচ্ছে আবহাওয়া। ঝলমলে দিনের আশায় মুখিয়ে ছিল শহরবাসী। কিন্তু এবার শঙ্কার মেঘ।

একদিকে লন্ডনবাসী যেমন খুশি হচ্ছে যে গরমের দাপট তেমন দেখা যাবে না। তেমনই আশঙ্কা করা হচ্ছে শীতকালের কয়েক মাস ধরে বেশ কয়েকটি ঝড়ের মুখোমুখি হওয়ার জন্য তৈরি থাকতে হবে লন্ডনকে। জানা যাচ্ছে আর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই লন্ডনে আছড়ে পড়তে পারে ব্যাপক শক্তিশালী ঝড় ‘আইডেন’।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, চলতি সপ্তাহেই লন্ডনে আঘাত হানতে পারে ওই ঝড়। আপাতত আশঙ্কা করা হচ্ছে, ঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ১১০ কিমি প্রতি ঘন্টা।

আরও পড়ুন – রাজ্যের এক জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ভিটেমাটি ছাড়া কয়েক হাজার মানুষ

তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শুধু যে ‘আইডেন’ আসছে ব্যাপারটা মোটেই তা নয়। ক্রিস্টোফ, ডারসি, এভার্ট এবং ফ্লুর সহ পরবর্তী ঝড়গুলিও এর পরে পরে আসবে বলে জানানো হয়েছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, গভীর নিম্নচাপের পরেই আসবে এই ঝড়।

মনে করা হচ্ছে এই ঝড়ে স্কটল্যান্ডের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ হতে পারে। বুধবার নাগাদ স্কটল্যান্ডে ১১০ কিমি ঘন্টা প্রতি বেগে আছড়ে পড়তে পারে আইডেন। এই ঝড়ের জেরে বেশ কিছু এলাকার তাপমাত্রা নীচে নেমে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে এই মুহুর্তে চিন্তায় রয়েছে লন্ডনবাসী। তাঁরা বুঝতে পারছেন না আদোউ কতটা প্রভাব পড়তে পারে আইডেনের। আবহাওয়া বিভাগও এব্যাপারে সরাসরি কিছু জানায়নি। তবে মনে করা হচ্ছে, সরাসরি প্রভাব না পড়লেও ঝড়ের আংশিক প্রভাব পড়তে পারে লন্ডনে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।