নিউ ইয়র্ক: করোনা মহামারী নিয়ে এই মুহূর্তে গোটা বিশ্ব বিপর্যস্ত। কিন্তু তার মধ্যে বেশ কিছু ঘটনা অবাক করেছে সাধারণকে। নিউ ইয়র্ক শহরের একটি ঘটনায় স্তম্ভিত নেটিজেনরা। ছবি দেখে শিউরে উঠছেন অনেকেই।

ওই শহরের রাস্তার একটি গর্তে একটি এস ইউভির সামনের অংশ ঢুকে যাওয়ার ছবি সামনে আসার ফলে অবাক হয়েছেন সকলেই। কিভাবে একটি বড় গাড়ির সামনের অংশ ঢুকে গেল তাই এখন সকলের কাছে সব থেকে বড় প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জানা গিয়েছে কমলা রঙের একটি এসইউভিকে কুইন্স রোড এলাকার একটি রাস্তাতে লম্বালম্বি গর্তে ঢুকে যেতে দেখায় অবাক হয়েছিলেন অনেকেই। ঘটনাটি ঘটেছিল বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা নাগাদ। নিউ ইয়র্কের কাউন্সিল মেম্বার রবার্ট হলডেন পুরো ঘটনাটির একটি ছবি তুলে নিজের টুইটারে শেয়ার করেছিলেন।

তিনি গাড়িটির তিন দিক থেকে ছবি তুলেছিলেন। আর তা পোস্ট করেছিলেন নিজের টুইটার প্রোফাইলে। যেখানে দেখা গিয়েছে গাড়ির বনেট পুরোপুরি ভাবে ঢুকে গিয়েছে ওই গর্তে। যা দেখে অবাক হয়েছেন সকলেই।

বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করা হলে নিউ ইয়র্ক বিপর্যয় বাহিনী থেকে কর্মীরা এসে বিষয়টি সামাল দিয়েছিলেন। তবে ওই গাড়িটি উদ্ধার করা যায়নি বলে জানা গিয়েছে। তবে কারও কোনও ক্ষতি হয়নি বা কারও চোট লাগেনি বলে জানা গিয়েছে। তবে করোনা প্রতিষেধক নিয়ে এই মুহূর্তে গোটা বিশ্ব উদ্বিগ্ন। তার মধ্যে এইসব ঘটনা চমকে দিচ্ছে অনেককেই। পাশপাশি বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের তরফে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।