কলকাতা: পিটিটিআই মামলায় ধাক্কা রাজ্য সরকারের। পিটিটিআই ট্রেনিং নিলে অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে চাকরি দেবার নির্দেশ দিল সুপ্রিমকোর্ট। ২০০৬ সালে রাজ্যসরকার নতুন ভাবে ঘোষণা করে পিটিটিআই ট্রেনিং নেওয়া পড়ুয়াদের অতিরিক্ত নম্বর দেওয়া যাবেনা।

এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় পড়ুয়ারা। হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় পড়ুয়াদের শংসাপত্র বৈধ এবং তাদের অতিরিক্ত ২২ নম্বর দিতেই হবে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। মামলা চলাকালীন ২০১৫ সালে হঠাৎই রাজ্য সরকার মামলা থেকে সরে আসে।

আরও পড়ুন : উত্তর প্রদেশে বিজেপির ভরাডুবির ইঙ্গিত দিল জনমত সমীক্ষা

ফলে তখন হাইকোর্টের রায়ই বহাল থাকে। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী চাকরিপ্রার্থীরা চাকরির আবেদন করলে সেই আবেদন নাকচ করে দেয় রাজ্য। এর প্রতিবাদে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন পড়ুয়ারা। বিচারপতি দেবাংশু বসাক জানিয়ে দেন অতিরিক্ত ২২ নম্বর দিয়ে তিন মাসের মধ্যেই চাকরি দিতে হবে মামলাকারীদের।

২০১৫ সালে সেই নির্দেশ অবশ্য খারিজ করে দেয় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ফের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন পড়ুয়ারা। অবশেষে দীর্ঘ শুনানির পর সেই মামলায় জয় হল পড়ুয়াদের। অবিলম্বে চাকরি দেবার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট। মামলাকারী অমিতাব্রত রায় জানিয়েছেন, প্রায় ৮০০ পড়ুয়ার লড়াই আজ সফল হল।