স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : সম্প্রতি করোনা চিকিৎসায় অক্সিজেন এবং অব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় হাসপাতালের উপর। সেই সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হল বন্দর কর্তৃপক্ষ। সেখানে বসানো হচ্ছে অক্সিজেন ট্যাঙ্ক।

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত সেন্টেনারি বন্দর হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে বহু করোনা রোগীর। তাদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ যাতে কোনও ভাবেই থেমে না থাকে সেই কাজ করতেই রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

সেখানে ৩০০০ লিটারের তরল অক্সিজেন ট্যাঙ্ক বসানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কর্তৃপক্ষের তরফে৷ এই ট্যাংক বসানোর জন্য কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে অক্সিজেন সরবরাহকারী বহুজাতিক সংস্থা ‘লিন্ডে’ এই কাজে সাহায্য করছে বলে জানা গিয়েছে।

অক্সিজেনের চাহিদা মেটাতে ১০ টি জাম্বো অক্সিজেন সিলিন্ডার কাজ করছে। সেটি প্রতিদিন ৮ বার করে রি-ফিলিং করতে হয়।

বন্দর চেয়ারম্যান বিনীত কুমার বলেন, ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় স্যান্টেনারি বন্দর হাসপাতালে ৩০০০ লিটারের তরল অক্সিজেন ট্যাঙ্ক বসানো হচ্ছে৷ শীঘ্রই যা চালু হয়ে যাবে। কলকাতার হাসপাতালের পাশাপাশি হলদিয়ার হাসপাতালেও জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে কোনও নাবিক বা জাহাজের অন্য কর্মী বা বন্দরের কোনও কর্মী অসুস্থ হলে যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এর পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে স্বচ্ছ্বতায়৷’

একইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই অক্সিজেন ট্যাঙ্ক থেকে অন্তত এক মাসের অক্সিজেনের চাহিদা মেটানো যাবে। ‘লিন্ডে’ চাহিদামতো তরল অক্সিজেন সরবরাহ করতে থাকবে বন্দর হাসপাতালে।’

জানা গিয়েছে জাহাজ মন্ত্রকের নির্দেশে সেখানে কোভিড বেডের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে আগেই। সেই নির্দেশেই তরল অক্সিজেন ট্যাঙ্ক বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৯৩ রোগীর চিকিৎসা চলছে এই হাসপাতালে।

২৬ এপ্রিলের ঘটনা। অক্সিজেনের অভাবে শ্বাস নিতে না পেরে ওই হাসপাতালে মৃত্যুর হয় এক মহিলার। পরিবারের তরফে এমনটাই অভিযোগ উঠেছিল। চিকিৎসায় গাফিলতিরও অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ করেছিল মহিলার পরিবার। অভিযোগের তির ছিল এই কলকাতা বন্দর হাসপাতালই। তারপর নড়েচড়ে বসে এই সিদ্ধান্ত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.