স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: প্রায় কয়েক লক্ষাধিক টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠল, রাজ্য সমবায় অধীনস্থ সংস্থা মালদহ সমবায়িকার এক সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এআরসিএস-র অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে, ঐ সমবায়িকা কর্মী কল্যান ব্রত ঘোষকে।

ব্যাংক স্টেটমেন্টর তথ্য ধরেই এই দুর্নীতির কিনারা করেন সংস্থার বর্তমান সিইও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
জানা গিয়েছে, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে সমবায় দফতরে যোগদানের পর থেকেই সহকর্মীদের কাছ থেকে, অসহযোগিতা পাচ্ছিলেন ছিলেন তিনি। এরপরই সমবায়িকার মেইন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে তাঁর ফোন নাম্বার যুক্ত হতেই এই অর্থ তছরুপের বিষয়টি খেয়াল করেন তিনি। তখনই তাঁর নজরে আসে, বিভিন্ন সময়ে লক্ষ লক্ষ টাকা সমবায় ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে এক কর্মীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার হয়েছে।ব্যাংক স্টেটমেন্টের সূত্র ধরে, ওই কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সমস্ত তথ্য উঠে আসে। তবে এই ঘটনায় তিনি যে একা যুক্ত নন, তা পরিষ্কার ভাবেই জানিয়েছেন সমবায়িকার সিইও।

যদিও, বাম বোর্ড থাকাকালীন এই দুর্নীতি হয়েছে বলে সাফাই দিয়েছেন, তৃণমূল নেতা তথা সমবায়িকা স্পেশাল অফিসার অম্লান ভাদুড়ী। শুধু তাই নয়, দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা সিপিএম নেতা প্রবীর লাহিড়ী।

এই ঘটনায় ব্যাংকের স্পেশাল অফিসার তথা তৃণমূল নেতা অম্লান ভাদুড়ি অভিযোগ করে বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে সমবায় কর্মীদের একাংশ এবং বাম বোর্ড জড়িত। যদিও বাম বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রবীর লাহিড়ী বলেন, ”২০১৪ সালে আমি নির্বাচিত হয়েছিলাম। আমাদের একজন গভমেন্ট অফিসার রয়েছেন। আমরা সরকারি অফিসার না। আর্থিক বিষয়টি এক্সিকিউটিভ অফিসার দেখেন।”

এই বিষয়ে, বিজেপির জেলা সভাপতি গোবিন্দ্র চন্দ্র মন্ডল জানান, ”৩৪বছর ধরে দূর্নীতি হয়েছে। তৃণমূল এটা ধরে ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু বংশ পরম্পপরায় সেই একই জিনিস চলছে। তৃণমূলের যারা দ্বায়িত্ব পেয়েছেন তারা কিন্তু সচেতন নন।”