নয়াদিল্লি: ভারতকে স্মার্টফোন উৎপাদনের হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছে কেন্দ্র। তাতে সাড়া দিয়ে স্যামসাং অ্যাপেলে মতো বিদেশি সংস্থাগুলির সহযোগীদের সঙ্গে ভারতীয় সংস্থারও। মোট ২২টি এমন সংস্থা আবেদন করেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ‌টেলিও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদ। তার আশা, এইসব আবেদনগুলি কার্যকর হলে আগামী ৫ বছরে ১১ লক্ষ কোটি টাকা লগ্নি হবে । তার পাশাপাশি জানানো হয়েছিল এই আবেদনকারীদের মধ্যে কোনও চিনা মোবাইল সংস্থা নেই।

এদেশের স্মার্টফোনের হাব করার জন্য গত এপ্রিলে ৫০,০০০ কোটি টাকার উৎসাহ প্রকল্প আনে কেন্দ্র। এতে সাড়া দিয়ে আইফোন উৎপাদনকারী ফক্সকন উইস্ট্রন এবং পেগাট্রন এদেশে কারখানা করার আগ্রহ দেখিয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে লাভা মাইক্রোম্যাক্সের মতো এদেশিয় সংস্থাগুলিও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, প্রকল্পগুলি পুরোদমে চালু হলে প্রত্যক্ষ তিন লক্ষ এবং পরোক্ষ নয় লক্ষ কর্মসংস্থান হবে। এছাড়া যন্ত্রাংশ শিল্পেও প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা লগ্নি প্রস্তাব এসেছে।

প্রসঙ্গত কিছুদিন আগে চিন-ভারত সীমান্তে যেভাবে উত্তেজনা দেখা দেয় তার ফলে ভারত চিনের বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সীমান্ত সংঘর্ষে সেনারা শহিদ হওয়ায় দেশজুড়ে চিনা পণ্য বয়কটের আওয়াজ উঠতে দেখা যায়। কিন্তু আবার ভারতের স্মার্টফোনের বাজারে সিংহভাগ দখল করে রয়েছে চিনা মোবাইল। ফলে নিজেরা স্বাবলম্বী না হয়ে চিনা পণ্য বয়কট করার ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেয়। ফলে নজর দেওয়া হয় এদেশের এইসব পণ্য তৈরি করে চিনের উপর নির্ভরশীলতা কমানোর দিকে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুসারে, আগামী পাঁচ বছর দেশে উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে ৬ শতাংশ পর্যন্ত আর্থিক উৎসাহ ভাতা দেবে। পাশাপাশি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ মূলধনী খরচের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ আর্থিক ‌ অনুদানের ব্যবস্থা করা হবে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, সেমিকন্ডাক্টর এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশের জন্য।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও