প্রতীকী ছবি

এথেন্স: ফের ভূমিকম্প৷ তবে এবার ৬.৮ তীব্রতায় এই কম্পন অনুভূত হয় গ্রীসের পশ্চিম উপকূলে৷ প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, স্থানীয় সময়ে রাত ১১ টা নাগাদ এই ভূমিকম্প হয় গ্রীসের পশ্চিম উপকূলে৷

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, Zante-তেয় তিনি এবং তাঁর সঙ্গী থাকেন৷ রাতের দিকে পর পর তিনটে আফটার শকে তাদের ঘুম ভেঙে যায়৷ সবথেকে বেশি সময় ধরে যে কম্পন হয় তাতে তাঁর বাড়ির বেশ কিছু আসবাবও জায়গা থেকে সরে যায় বলে জানান তিনি৷

এদিকে অন্য আরেকটি রিপোর্টে জানা গিয়েছে, আধ ঘন্টার মধ্যেই দ্বিতীয় কম্পনটি হয়৷ আয়োনিয়ান সমুদ্রই এর কেন্দ্রস্থল৷ তবে ভমিকম্পের মাত্রা অনেকটা বেশি হলেও তাতে কতটা ক্ষটক্ষতি হয়েছে বা কোনও প্রাণহানি হয়েছে কিনা তা এখনও কিছুই জানা যায়নি৷

পড়ুন: সন্ধ্যাতেই আছড়ে পড়তে পারে বিধ্বংসী এই হ্যারিকেন

এর প্রায় দুদিন আগেই, ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে তাইওয়ান। কম্পনের মাত্রা ৫.৯৷ প্রবল কম্পনে রাজধানী তাইপের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়। তাইওয়ানের উপকূলীয় শহর সু-আও থেকে ৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বে ভূপৃষ্ঠের ২৬ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি বলে জানান মার্কিন ভূতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থা (ইউএসজিএস)।

যদিও ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে হঠাৎ কম্পনে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয় সাধারণ মানুষের মধ্যে। বহু মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমে পড়ে। স্থানীয় আভাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন করে আফটার শকের কোনও আতঙ্ক নেই। সু-আও শহরটি রাজধানী তাইপে থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার পূর্বদক্ষিণে পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।