লন্ডন:  গোটা বিশ্বে প্রবল চাপের মুখে চিন। করোনা ভাইরাসের তথ্য গোটা বিশ্বের সামনে চেপে যায় চিন, এমনটাই অভিযোগ। এমনকি সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও জানায় যে, প্রথম কবে থেকে চিনে করোনা ছড়িয়েছে সেই সংক্রান্ত কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি। ফলে আরও চিনের মিথ্যার মুখোশ বিশ্বের সামনে এসে গিয়েছে।

সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে চাপ বাড়ছে চিনের ওপর। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় ভুখন্ডকে নিজেদের বলে দাবি করছে বেজিং। আগ্রাসী ভূমিকা নিয়েছে। আর যা মোটেই ভালো ভাবে নিচ্ছে না বিশ্ব। এই পরিস্থিতিতে চিনকে চরম অস্বস্তিতে ফেলে দিল ব্রিটেনও। সে দেশের ৫জি নেটওয়ার্কে চিনের শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানি হুয়েইয়ের ভূমিকা ধাপে ধাপে কমাতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের মধ্যেই হুয়াওয়াই প্রযুক্তি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তিনি। চিনের এই সংস্থার বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ রয়েছে। গত কয়েকদিন আগেই আমেরিকা জানায়। এই সংস্থার মাধ্যমে গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা প্রবল। এরপরেই ব্রিটেন এই সিদ্ধান্ত নিল। ইতিমধ্যে ভারত টিকটক সহ একাধিক অ্যাপকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে বেজিং।

এবার আরও এক স্ট্রাইক। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুয়ায়ী, চিনা কোম্পানিটি যেসব ঝুঁকি, বিপদ তৈরি করতে পারে সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একদিকে যখন এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে অন্যদিকে দেশের ৫জি নীতিতেও বড়সড় পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

অন্যদিকে, ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারও একাধিক রিপোর্ট দিয়েছে এই বিষয়ে। যেখানে বলা হয়েছে, নয়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞা হুয়েইয়ের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। তার ফলে চিনের এই সংস্থাটি বাধ্য হয়ে ভরসাযোগ্যহীন প্রযুক্তি ব্য়বহার করবে, এতে ঝুঁকি, বিপদ নিয়ন্ত্রণে রাখা অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন এই রিপোর্ট।

শুধু তাই নয়, ব্রিটেনের গুপ্তচর সংস্থা জিসিএইচকিউ-ও চিনা প্রযুক্তির বিপদ সম্পর্কে নতুন করে সাবধান করেছে। গোপন তথ্য চিনের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এরপরই ব্র্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হুয়েইয়ের ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়ার কথা ভাবছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ