মুম্বই: ব্যাট হাতে যতোটা পটু, সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে সতীর্থদের পা টানতেও ততোটাই দক্ষ ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। লকডাউন পিরিয়ডে জাতীয় দলের জুনিয়র যুবেন্দ্র চাহাল, অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার, প্রাক্তন ইংরেজ অধিনায়ক কেভিন পিটারসনরা কোহলির মশকরার শিকার হয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তালিকায় নয়া সংযোজন রবীন্দ্র জাদেজা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি কোহলি-জাদেজার একে অপরকে ট্রলের কেন্দ্রবিন্দুতে ডিশিসন রিভিউ সিস্টেম। বাইশ গজে ডিআরএস নেওয়ার ক্ষেত্রে কোহলি-জাদেজা জুটির পরিসংখ্যান সবসময় তাঁদের বিপক্ষে কথা বলে। অধিনায়কের সঙ্গে তাঁর যুগলবন্দিতে ডিআরএসে সাফল্যের কম হারের জন্য কোহলিকেই দায়ী করে সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন জাদেজা। যেখানে এক ফ্রেমে দেখা যাচ্ছে কোহলি এবং তাঁকে। ছবিতে স্পষ্ট যে জাদেজা আগ্রহী না হলেও আম্পায়ারের কাছে ডিশিসন রিভিউ চাইছেন কোহলি।

ছবিটির ক্যাপশন হিসেবে কোহলিকে উদ্দেশ্য করে জাদেজা লেখেন, ‘দেখো ভাই আমি রিভিউ নিতে বারণ করছিলাম।’ জাদেজার সেই পোস্ট দেখে পালটা জবাব দিতে খুব বেশি সময় খরচ করেননি ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। প্রত্যুত্তরে বিরাট লেখেন, ‘তোমার তো সবসময়ই মনে হয় আউট কিন্তু রিভিউ নেওয়ার পরেই সব সন্দেহ শুরু হয়ে যায়।’

ব্যাটসম্যান হিসেবে কোহলির ডিআরএসে সাফল্যের পরিসংখ্যান নিয়ে যতো কম কথা বলা যায় ততোই ভালো। এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ২০১৭ নভেম্বর থেকে ২০১৯ অক্টোবর দু’বছরে ব্যাটসম্যান হিসেবে কোনও ডিআরএস কল কোহলির পক্ষে যায়নি। টেস্ট ক্রিকেটে টানা ৯টি ডিআরএস কল বিপক্ষে যাওয়ার নজির রয়েছে কোহলির ঝুলিতে। আর ব্যাটসম্যান হিসেবে পাঁচ বা তাঁর বেশি সংখ্যক রিভিউ নেওয়ার নিরিখে ৩৪ জন ব্যাটসম্যানের মধ্যে কোহলির স্থান ৩৩ নম্বরে। ডিআরএসে ব্যাটসম্যান কোহলির সাফল্যের হার মাত্র ৮.৩ শতাংশ।

এদিকে সরকারি অনুমোদন পেলে অগাস্টে দ্বীপরাষ্ট্রে সিরিজ খেলতে যেতে রাজি কোহলিরা। শ্রীলঙ্কা বোর্ডকে সম্প্রতি এমনই খবরে বিসিসিআই আশ্বস্ত করেছে বলে সূত্রের খবর। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডও সিরিজ আয়োজনের ব্যাপারে দেশের ক্রীড়ামন্ত্রকের অনুমোদনের অপেক্ষায়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ