এথেন্স; গত কয়েকদিন আগে একটি রেফ্রিজারেটেড ট্রাক থেকে ৪১ জনকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটে উত্তর গ্রিসের জান্থি শহরে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪১ জনের মধ্যে প্রত্যেকেই ব্যক্তিদের প্রত্যেকেই শরণার্থী। জান্থি শহরে তল্লাশির জন্য একটি ট্রাককে দাঁড় করায় পুলিশ। তল্লাশির সময় দেখা যায়, হিমঘরের মতো রেফ্রিজেরাশন ব্যবস্থায় ট্রাকের ভিতরে লুকিয়ে রয়েছেন ৪১ জন শরণার্থী। অভিবাসীদের বেশিরভাগই আফগানিস্তানের নাগরিক বলে প্রাথমিক ধারণা করা হলেও তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

রেফ্রিজারেটেড ট্রাক থেকে উদ্ধার ৪০ জনের বেশি শরণার্থী

জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া প্রত্যেকেই পাকিস্তানের নাগরিক। এমনকি ট্রাকের চালকও পাকিস্তানের বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে তাকে আটক করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে আটক লরি চালককে দফায় দফায় জেরা শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে যে ট্রাকে উদ্ধার হওয়া এই পাক নাগরিকদের লুকিয়ে ফ্রান্সে প্রবেশের চেষ্টা করানো হচ্ছিল।

অন্যদিকে এক গ্রিক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, উদ্ধার করা অভিবাসীদের প্রত্যেকেই সুস্থ আছে। প্রত্যেকদিনের মতো চেকিংয়ের সময়ে জান্থি শহরের কাছে ট্রাকটিকে থামানো হয়। পরে চালককে আটক করে এবং অভিবাসীদেরকে শনাক্তের জন্য পাশের পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। সাম্প্রতিককালে গ্রিসের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি হল বিভিন্ন দেশ থেকে আসা শরণার্থীরা। ২০১৫ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ ইউরোপের ঢোকার আশায় তুরস্ক থেকে রওনা হয়ে গ্রিসে পৌঁছে আটক হয়েছে।

তুরস্কের কাছাকাছি এজিয়ান দ্বীপের একাধিক শিবিরে প্রায় ৩৪ হাজার আশ্রিত এবং শরণার্থীকে আটক রেখেছে গ্রিস সরকার। এর আগে লন্ডনের কাছে একটি রেফ্রিজারেটেড ট্রাক থেকে ৩৯ জন অভিবাসীর দেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের প্রত্যেকেই ভিয়েতনামের নাগরিক বলে জানা গিয়েছিল।